নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে গত সপ্তাহে ব্যর্থ সামরিক বিদ্রোহের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলার পেছনে ফ্রান্সের ইন্ধন থাকার অভিযোগ করেছে দেশটির সামরিক সরকার।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সরকারি বিবৃতিতে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়। নাইজারের মন্ত্রিসভা বলেছে, বিদ্রোহী সেনাদের হামলার পেছনে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন একটি ‘বিস্তৃত সহযোগী নেটওয়ার্ক’ কাজ করেছে বলে তাদের ধারণা।
গত ২৯ আগস্ট নিয়ামেতে বিদ্রোহী সেনারা বিমানবন্দর ও প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে হামলা চালায়। একই সময়ে একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ২০২৩ সালের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সামরিক শাসক আবদুরাহামানে তিয়ানির সরকারের জন্য এটি ছিল একটি বড় হুমকি।
পরদিন রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সহায়তায় নাইজারের সেনাবাহিনী বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে এবং বিদ্রোহ দমন করে। নাইজারের মন্ত্রিসভা বলেছে, হামলায় ফ্রান্সের নেতৃত্বে একটি বড় সহযোগী নেটওয়ার্ক জড়িত থাকার ‘প্রচুর প্রমাণ’ তারা সংগ্রহ করেছে।
তবে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নাইজারের এই অভিযোগের পক্ষে কী ধরনের প্রমাণ রয়েছে, তা সরকার প্রকাশ করেনি। সামরিক শাসক তিয়ানি এর আগে ফ্রান্স ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশকে অস্থিরতার জন্য দায়ী করেছিলেন, কিন্তু সেসব অভিযোগের পক্ষেও তিনি কোনো প্রমাণ দেননি।
প্রতিনিধির নাম 























