গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি পালন করছে।
আজ শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে প্রায় দেড় হাজার গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন জোটের নেতাকর্মীরা।
লংমার্চের গাড়িবহর প্রথমে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি পথসভায় অংশ নেয়। এরপর দুপুরে কুমিল্লায় আরেকটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেন। কুমিল্লার পথসভা শেষে গাড়িবহর চট্টগ্রামের পথে রওনা দেয়।
চট্টগ্রামে পৌঁছানোর আগে ফেনী ও মিরসরাইয়ে আরও দুটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চকে ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
লংমার্চের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে যানবাহনের ধীরগতি দেখা গেলেও বড় ধরনের যানজটের সৃষ্টি হয়নি। গাড়িবহরে থাকা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গাড়ির ছাদ খুলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
লংমার্চের ছয় দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। লংমার্চ শেষ হবে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে।
প্রতিনিধির নাম 
























