সিলেটে পৃথক দুই এলাকা থেকে এক কিশোর ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরীর খোজারখলা কাশবন আবাসিক এলাকা থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোর আমিন আলীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং এর আগের রাতে এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম পাঠানগাঁওয়ে ৪০ বছর বয়সী যুবক জমির আলীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি মো. আশরাফুজ্জামান ও এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে খোজারখলা কাশবন আবাসিক এলাকার একটি কলোনি থেকে কিশোর আমিন আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে এবং পরিবারসহ ওই কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
ওসি মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।’
অন্যদিকে, বুধবার রাতে সিলেট এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম পাঠানগাঁওয়ে জমির আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জমির আলী ওই গ্রামের করম আলীর ছেলে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান জানান, ‘জমির আলী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ছোরা দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
প্রতিনিধির নাম 
























