গবেষকরা তরুণদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় পপ-আপ সতর্কবার্তা দেখানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের সতর্কবার্তা ব্যবহারকারীদের মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়তা করতে পারে।
গবেষণায় ১৩ থেকে ২৯ বছর বয়সী এক হাজারের বেশি তরুণ অংশগ্রহণ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় তাদের সামনে ৬টি স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে মোট ১৪টি সতর্কবার্তা দেখানো হয়। এসব সতর্কবার্তায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি, নেতিবাচক বডি ইমেজ, ঘুমের ব্যাঘাত, বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাবের কথা উল্লেখ করা হয়।
গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, সতর্কবার্তা দেখার পর তরুণদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বেড়েছে। অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, এ ধরনের বার্তা তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমাতে উৎসাহিত করতে পারে।
গবেষণার প্রধান লেখক আনা গ্রুমন জানান, বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে দেওয়া সতর্কবার্তাগুলো সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। তবে আসক্তি নিয়ে দেওয়া সতর্কবার্তাটি তুলনামূলকভাবে কম কার্যকর ছিল।
গবেষকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে তামাক বা অ্যালকোহলের সঙ্গে পুরোপুরি এক করে দেখছেন না। গ্রুমনের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় পপ-আপ সতর্কবার্তা দেখানোই বেশি বাস্তবসম্মত হতে পারে।
প্রতিনিধির নাম 
























