ইউরোপীয় ফুটবলে কোমোর উত্থান একটি নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে তারা। এই জয়ের মাধ্যমে কোমো নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে।
ম্যাচের আগে কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস লাইপজিগের বিরুদ্ধে লড়াইকে সাধারণ ম্যাচ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তার এই মানসিক কৌশল কার্যকর হয়েছে। ঘরের মাঠের দর্শকদের উন্মাদনায় লাইপজিগ দিশেহারা হয়ে পড়লেও কোমোর ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন।
ম্যাচে নিকো পাজের দুটি অ্যাসিস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে ক্রোয়েশিয়ান প্লে-মেকার মার্টিন বাতুরিনা কোমোর জন্য চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসের প্রথম গোলটি করেন। আসামানে দিয়াওও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
কোমোর আক্রমণ ও রক্ষণভাগের সমন্বয় ছিল প্রশংসনীয়। তারা প্রতিপক্ষকে এক মুহূর্তের জন্যও স্বস্তি দেয়নি। লাইপজিগ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও কোমোর খেলোয়াড়রা দৃঢ়তার সঙ্গে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখে।
ফ্যাব্রেগাসের অধীনে কোমোর খেলার ধরন এখন একটি ট্রেডমার্ক হয়ে উঠেছে, যেখানে পাসের গতি ও ড্রিবলিংয়ের টেকনিকের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা হয়। ফলে তারা পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম রাউন্ড শেষ করেছে।
প্রতিনিধির নাম 

























