শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও দালাল চক্রের কারণে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। হাসপাতাল চত্বরে মাঝে মাঝে রোগীর স্বজন ও সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল চত্বরে কিছু প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স চালক ও তাদের সহযোগীরা স্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়ে পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এই সিন্ডিকেটের কারণে রোগীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালটি ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হিসেবে ১৯৭২ সালে নির্মিত হয় এবং পরবর্তীতে ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় রূপান্তরিত হয়।
প্রতিদিন ৮০০-৯০০ রোগী এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। তবে, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের অভাব ও চালক না থাকার সুযোগে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। জরুরি রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের প্রয়োজন হলে এই চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং রোগীদের বাধ্য করে নিজেদের নির্ধারিত গাড়ি ব্যবহারে।
অভিযোগ রয়েছে যে, ভেদরগঞ্জ থেকে ঢাকার যেকোনো হাসপাতালে যাওয়ার জন্য ৫ থেকে ৮ হাজার টাকা ভাড়া দাবি করা হয়, যা সাধারণত ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত। এছাড়া, হাসপাতালের বাউন্ডারির মধ্যে দালাল চক্র অবৈধভাবে রোগীদের ক্লিনিকে নিয়ে বেশি টাকার বিনিময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবুবকর সিদ্দিক বলেন, এই ঘটনা দুঃখজনক। সিন্ডিকেটের কারণে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে কাজ করা হচ্ছে। অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রতিনিধির নাম 

























