ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা ও দেশটির বিজ্ঞানীদের হত্যার মাধ্যমে পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে তেহরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের পারমাণবিক দক্ষতা জ্ঞান, দৃঢ় সংকল্প ও মানবসম্পদের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
গতকাল মঙ্গলবার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠকে অংশ নেয়া ইরানি প্রতিনিধিদল এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। তারা উল্লেখ করে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ভবন বা যন্ত্রপাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৫-২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা জাতির জ্ঞান ও মানবসম্পদের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
ইরানি প্রতিনিধিদল দাবি করেছে, স্থাপনায় হামলা বা বিজ্ঞানীদের হত্যা করা হলেও, মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান একবার শিকড় গেড়ে বসলে তা টিকে থাকে এবং বিকশিত হয়। তাদের মতে, ইরান একটি পরিণত ও টেকসই বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তুলেছে।
বিবৃতিতে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে কৃষি, পরিবেশ সুরক্ষা ও খাদ্য সংরক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাছাড়া, তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ উৎপাদন ও চিকিৎসা ও শিল্পে বিকিরণভিত্তিক প্রযুক্তির ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 























