আইফেল টাওয়ারে হিন্দু দর্শনার্থীদের সফরের সময় নারী কর্মীদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে ভারত সরকার এ বিষয়ে নিজেদের দায় অস্বীকার করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যকার এবং সরকারের মন্তব্য করার প্রয়োজন নেই।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, প্যারিসে বিএপিএসের একটি মন্দির উদ্বোধনের বিষয়ে ভারত অবগত রয়েছে। তবে আইফেল টাওয়ারের ঘটনা সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জয়সওয়াল বলেন, ‘টাওয়ার-সংক্রান্ত নির্দিষ্ট বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যকার বিষয়।’ তিনি বিএপিএসের মন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভার্চুয়াল বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে বলেন, এ ধরনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জানানো একটি সাধারণ রীতি।
এর আগে অভিযোগ ওঠে, বিএপিএসের প্রতিনিধিদল আইফেল টাওয়ার পরিদর্শনে গেলে সেখানে কর্মরত কয়েকজন নারীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, কিছু নারী কর্মীকে তাদের দায়িত্বস্থল ছেড়ে অন্য এলাকায় যেতে বলা হয় এবং পুরুষ কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে আইফেল টাওয়ারের কর্মীরা ধর্মঘটে যান। তারা এক বিবৃতিতে জানান, সফরের সময় লিঙ্গের ভিত্তিতে নারী কর্মীদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুরুষদের দায়িত্ব দেওয়া এবং তাদের ‘অদৃশ্য’ করে রাখার মতো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
বিএপিএস নিজেদের একটি স্বেচ্ছাসেবী আধ্যাত্মিক সংগঠন হিসেবে পরিচয় দেয় এবং হিন্দু ধর্মীয় মূল্যবোধ, সেবা ও বৈশ্বিক সম্প্রীতির মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে কাজ করে বলে জানায়।
প্রতিনিধির নাম 

























