ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,৪৬৩ ক্রিস্টাল হাউসে গাড়ির ৪ চাকা চুরি, চোরের নোটে সতর্কবার্তা কৃষকদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্পের পরিকল্পনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর রূপপুর প্রকল্পের সার্ভারে অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ এখনও বন্ধ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা সব শিক্ষক-কর্মকর্তার জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা ঝিনাইদহে বাস-ইজিবাইক দ্বন্দ্ব, সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের ঘটনা বাঁধনের ওপর হামলার তদন্ত শুরু করেছে ইতালির পুলিশ রুনা লায়লা সম্পূর্ণ সুস্থ, গুজব ভিত্তিহীন চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য পিয়াসের শোকাবহ কাহিনী

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের সুবিধাজনক স্থানে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মহেশখালীর কুতুবজোমে আরও একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ শুরু করার আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আকস্মিক সংকটের সময়ে শিল্প খাতে গ্যাসের ঘাটতি না হওয়ার জন্য দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এলএনজি আমদানির অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে, যা দৈনিক প্রায় ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম।

ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মূল ভূখণ্ডে এনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের সম্ভাব্যতাও যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩, হাসপাতালে ভর্তি ১,৪৬৩

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৭:১৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আকস্মিক গ্যাস সংকট মোকাবিলায় পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা কিংবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের সুবিধাজনক স্থানে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, মহেশখালীর কুতুবজোমে আরও একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ শুরু করার আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আকস্মিক সংকটের সময়ে শিল্প খাতে গ্যাসের ঘাটতি না হওয়ার জন্য দেশীয় গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এলএনজি আমদানির অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে, যা দৈনিক প্রায় ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম।

ভোলার গ্যাস এলএনজি আকারে মূল ভূখণ্ডে এনে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের সম্ভাব্যতাও যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইপিজেড ও বিসিকের মতো পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সাইসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনা করা হবে।