ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ড. ইউনূসের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূতের বৈঠক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাপানের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইউনূস সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি, মিয়ানমারের সংকট, বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে সোমবার বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক উত্তরণ, রোহিঙ্গা মানবিক সংকট ও দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন সাসাকাওয়া।

সাক্ষাতে সাসাকাওয়া জাপান ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি অধ্যাপক ইউনূসের দর্শন ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, সম্পদের কেন্দ্রীভবন এখন বৈশ্বিক সমস্যা এবং কোনো একক দেশের পক্ষে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।

অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মৌলিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, স্পষ্ট আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা ছাড়া একটি প্রজন্ম বেড়ে উঠলে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ অবকাঠামোর গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, উন্নত বন্দর অবকাঠামো ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং সামাজিক ব্যবসা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও আঞ্চলিক শান্তির মতো ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ খুঁজে বের করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ড. ইউনূসের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূতের বৈঠক

আপডেট সময় : ০৫:২২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাপানের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইউনূস সেন্টারে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি, মিয়ানমারের সংকট, বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে সোমবার বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক উত্তরণ, রোহিঙ্গা মানবিক সংকট ও দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন সাসাকাওয়া।

সাক্ষাতে সাসাকাওয়া জাপান ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি অধ্যাপক ইউনূসের দর্শন ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, সম্পদের কেন্দ্রীভবন এখন বৈশ্বিক সমস্যা এবং কোনো একক দেশের পক্ষে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।

অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মৌলিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, স্পষ্ট আত্মপরিচয় ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ধারণা ছাড়া একটি প্রজন্ম বেড়ে উঠলে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ অবকাঠামোর গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। অধ্যাপক ইউনূস বলেন, উন্নত বন্দর অবকাঠামো ও আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠলে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হয়ে উঠতে পারে।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ও জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং সামাজিক ব্যবসা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও আঞ্চলিক শান্তির মতো ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ খুঁজে বের করার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়।