ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাত করা ইসরায়েলের প্রধান লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছেন, এই লক্ষ্য এখন ইসরায়েলের নাগালের মধ্যে রয়েছে। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের।
তেল আবিবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) জেনারেল স্টাফ ফোরামের সঙ্গে রোশ হাশানার এক অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং টিকে থাকার জন্য লড়াই করছে। তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, এই শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করার সক্ষমতা ইসরায়েলের রয়েছে।
নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের হুমকি কমেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে হামলার পর থেকে পরিচালিত সামরিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজও ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায়, তবে দেশটির শাসনব্যবস্থার সব অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হবে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের আলি তাহের রিজ এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর পাল্টা জবাবের হুমকি দিয়েছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, ওই এলাকায় হিজবুল্লাহর একটি কৌশলগত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, বিদেশে ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর প্রচেষ্টা জোরদার করেছে ইরানের কুদস ফোর্স ও হামাস। আসন্ন ইহুদি ধর্মীয় উৎসব এবং ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে বিদেশে বড় ধরনের হামলা চালানোর চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ইসরায়েলের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা নেতৃত্ব।
প্রতিনিধির নাম 























