ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গাইবান্ধায় আইনজীবী ও পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় জাল জন্মসনদ তৈরি করে প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন করানোর অভিযোগে আইনজীবী, মুহুরি ও এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও মো. হকিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, আসামিদের কারামুক্ত করতে এক আইনজীবীর পরামর্শে জাল জন্মসনদ তৈরি করা হয়।

জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর আসামিদের জামিন করাতে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু হিসেবে প্রমাণ করেন।

এছাড়া, আদালতের নথি গায়েব ও কাটাকাটির অভিযোগও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য আইনজীবীরা আদালতে জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলাটি করতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ আকবরের বাবা আলী আকবরের মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য

গাইবান্ধায় আইনজীবী ও পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০১:১৩:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধায় জাল জন্মসনদ তৈরি করে প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন করানোর অভিযোগে আইনজীবী, মুহুরি ও এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও মো. হকিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, আসামিদের কারামুক্ত করতে এক আইনজীবীর পরামর্শে জাল জন্মসনদ তৈরি করা হয়।

জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর আসামিদের জামিন করাতে আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু হিসেবে প্রমাণ করেন।

এছাড়া, আদালতের নথি গায়েব ও কাটাকাটির অভিযোগও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য আইনজীবীরা আদালতে জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলাটি করতে বলা হয়েছে।