হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমদানি কার্গোতে গত ১০ মাস ধরে কোনও স্ক্যানার নেই। কর্মকর্তারা স্ক্যানার ছাড়াই বিল অফ এন্ট্রির ওপর নির্ভর করে পণ্যের মূল্যায়ন করছেন, যা বৈধ ও অবৈধ পণ্য শনাক্তের প্রযুক্তিগত পদ্ধতির ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে।
সম্প্রতি, এই কার্গো থেকে ফলের আড়ালে ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এই জব্দের ঘটনা পূর্বে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটে। বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) বিকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২০ কেজি স্বর্ণ জব্দের সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কমিশনার মশিউর রহমান এ তথ্য জানান।
মশিউর রহমান জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর আমদানি কার্গোতে অগ্নিকাণ্ডের কারণে স্ক্যানার নষ্ট হয়ে যায় এবং এরপর থেকে নতুন স্ক্যানার কেনার প্রক্রিয়া চলছে।
জানা যায়, গত ১৯ জুলাই আমদানি কার্গো থেকে ফলের কার্টনের ভেতর থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাস্টমস কর্মকর্তারা বিল অফ এন্ট্রি দেখে পণ্য পরীক্ষা করছেন, তবে বড় চালানগুলোর ক্ষেত্রে যথাযথ পরীক্ষা না হওয়া একটি উদ্বেগের বিষয়।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খায়রুল কবির ভূঁইয়া মিঠু বলেন, আমদানি কার্গোতে স্ক্যানার থাকা প্রয়োজন। কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল ইসলাম জানান, স্ক্যানার না থাকলেও পণ্যগুলো ফিজিক্যালি পরীক্ষা করা হচ্ছে, তবে স্ক্যানার থাকলে পরীক্ষা প্রক্রিয়া আরও সহজ হতো।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শত শত কোটি টাকার পণ্য পুড়ে যায়।
প্রতিনিধির নাম 



















