জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাভাবিপ্রবির দুই বিভাগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স (সিপিএস) এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১ সেপ্টেম্বর। ওই দিন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মরুফ নামের এক শিক্ষার্থী জাবির এক ছাত্রীকে মাভাবিপ্রবির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।
এতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ওই দিনই প্রক্টর কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে উপস্থিত সবাই সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করেন এবং ঘটনার স্থায়ী নিষ্পত্তিতে একমত হন।
তবে পূর্বের লিখিত চুক্তি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন যে, ওই ভিডিও অন্য একটি পেজে পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় তারা মরুফের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। পরে মোবাইল ফোনটি উদ্ধারকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুপক্ষের শিক্ষার্থীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আহতদের মধ্যে ইশতিয়াকসহ কয়েকজনকে টাঙ্গাইল জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ইনভেস্টিগেশন শেষ হলে আলোচনার ভিত্তিতে এর সমাধান বা শাস্তি নিয়ে জানানো সম্ভব হবে।’
প্রতিনিধির নাম 





















