ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদরাসা ছাত্রদের সিগারেট সেবনের অভিযোগ অস্বীকার জামায়াত আমিরের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১ ঢাকা এক্সপ্রেসওয়েতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বিদ্যুৎ বিলে অসামঞ্জস্যতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মা-বাবাকে গালিগালাজ গ্রহণযোগ্য নয়: রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রী শ্রী কৃষ্ণের মানবপ্রেমের আদর্শ তুলে ধরলেন আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার ভেনেজুয়েলায় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেই: ট্রাম্প সিলেটে পৃথক দুই এলাকা থেকে ২ মরদেহ উদ্ধার বিনামূল্যে দাঁতের চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত

আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই অনুসন্ধান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে চলছে।

দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানিয়েছেন, অভিযোগটি বর্তমানে ‘অনুসন্ধান পর্যায়ে’ রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল হাসনাতের সই করা চিঠিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে সংশ্লিষ্ট নথি চাওয়া হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথিগুলো সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানের আওতায় থাকা চারজন হলেন- সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের কেনাকাটার নথির পাশাপাশি নিয়োগ ও পদায়নসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিভিন্ন স্মারক ও আদেশের নথিপত্রও চেয়েছে দুদক। অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।

দুদকের চিঠিতে দেশের আট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ওই সরকারের আমলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তবে দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদরাসা ছাত্রদের সিগারেট সেবনের অভিযোগ অস্বীকার জামায়াত আমিরের

আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং তিনজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই অনুসন্ধান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে চলছে।

দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান জানিয়েছেন, অভিযোগটি বর্তমানে ‘অনুসন্ধান পর্যায়ে’ রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. আবুল হাসনাতের সই করা চিঠিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে সংশ্লিষ্ট নথি চাওয়া হয়েছে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথিগুলো সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানের আওতায় থাকা চারজন হলেন- সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

চিঠিতে মন্ত্রণালয়ের কেনাকাটার নথির পাশাপাশি নিয়োগ ও পদায়নসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিভিন্ন স্মারক ও আদেশের নথিপত্রও চেয়েছে দুদক। অনুসন্ধানের জন্য চার সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।

দুদকের চিঠিতে দেশের আট উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ওই সরকারের আমলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তবে দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।