ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

জুম্মার নামাজের সময় দোকান খোলা রাখায় সনাতন ধর্মালম্বীকে মারপিট ও লুটপাট

জুম্মার নামাজের সময় নিজের মুদি দোকান খোলা রাখায় সনাতন ধর্মালম্বী এক দোকানদারকে মারপিট করেছে দুর্বৃত্তরা। শুধু তাই নয় নগদ ৮০ হাজার টাকা এবং গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে গেছে তারা।

গত ১৬ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মাহমুদপুর নিতাইপুর হিন্দুপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এমনটাই তুলে ধরে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কল্যাণ সরকার (৪৮)।

অভিযোগে বিবাদী করা হয় বাবু (৩৭), পিতাঃ হাফিজ উদ্দিন, ও হাফিজ উদ্দিন (৭০), পিতা: অজ্ঞাত, উভয় সাং- নিতাইপুর (মাহমুদপুর) হিন্দুপাড়া, থানা: ফতুল্লা, জেলা: নারায়ণগঞ্জ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে।
বাদী কালাচান সরকারের ছেলে কল্যাণ সরকার অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমি একজন হিন্দু ধর্মের লোক। আমি ফতুল্লা থানাধীন মাহমুদপুর নিতাইপুর হিন্দু পাড়া এলাকায় মুদি দোকান ও চায়ের দোকান দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করিতেছি। গত ১৬ আগস্ট জুম্মার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা ছিল। এসময় উল্লেখিত বিবাদীসহ কিছু ছেলেরা আমার দোকানের সামনে আড্ডা দিয়াছিল। মূলত আমি হিন্দু ধর্মের লোক বিদায় জুমার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা ছিল। কিন্তু বিবাদীরা একই তারিখ দুপুর আনুমানিক ০২:০০ ঘটিকা হইতে ০২:৩০ ঘটিকার মধ্যে আমার দোকানে আসিয়া জুমার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা থাকার কারণে আমার দোকানে ভেতরে প্রবেশ করিয়া আমাকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি মারিয়া আমার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে এবং আমার গলায় থাকা ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন খানা নিয়ে যায়। বিবাদীরা আমাকে একই সমেয় একাধিকবার মারধর করে এবং আমার দাকান ভাংচুর করিয়া দোকান হইতে ৮০,০০০/- (আশি হাজার) টাকা নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে আমার ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে উল্লেখিত বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জুম্মার নামাজের সময় দোকান খোলা রাখায় সনাতন ধর্মালম্বীকে মারপিট ও লুটপাট

আপডেট সময় : ০২:৩৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

জুম্মার নামাজের সময় নিজের মুদি দোকান খোলা রাখায় সনাতন ধর্মালম্বী এক দোকানদারকে মারপিট করেছে দুর্বৃত্তরা। শুধু তাই নয় নগদ ৮০ হাজার টাকা এবং গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে গেছে তারা।

গত ১৬ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মাহমুদপুর নিতাইপুর হিন্দুপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এমনটাই তুলে ধরে ফতুল্লা মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কল্যাণ সরকার (৪৮)।

অভিযোগে বিবাদী করা হয় বাবু (৩৭), পিতাঃ হাফিজ উদ্দিন, ও হাফিজ উদ্দিন (৭০), পিতা: অজ্ঞাত, উভয় সাং- নিতাইপুর (মাহমুদপুর) হিন্দুপাড়া, থানা: ফতুল্লা, জেলা: নারায়ণগঞ্জ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনকে।
বাদী কালাচান সরকারের ছেলে কল্যাণ সরকার অভিযোগে উল্লেখ করেন, আমি একজন হিন্দু ধর্মের লোক। আমি ফতুল্লা থানাধীন মাহমুদপুর নিতাইপুর হিন্দু পাড়া এলাকায় মুদি দোকান ও চায়ের দোকান দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা করিতেছি। গত ১৬ আগস্ট জুম্মার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা ছিল। এসময় উল্লেখিত বিবাদীসহ কিছু ছেলেরা আমার দোকানের সামনে আড্ডা দিয়াছিল। মূলত আমি হিন্দু ধর্মের লোক বিদায় জুমার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা ছিল। কিন্তু বিবাদীরা একই তারিখ দুপুর আনুমানিক ০২:০০ ঘটিকা হইতে ০২:৩০ ঘটিকার মধ্যে আমার দোকানে আসিয়া জুমার নামাজের সময় আমার দোকান খোলা থাকার কারণে আমার দোকানে ভেতরে প্রবেশ করিয়া আমাকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি মারিয়া আমার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে এবং আমার গলায় থাকা ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন খানা নিয়ে যায়। বিবাদীরা আমাকে একই সমেয় একাধিকবার মারধর করে এবং আমার দাকান ভাংচুর করিয়া দোকান হইতে ৮০,০০০/- (আশি হাজার) টাকা নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে আমার ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে উল্লেখিত বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আইনের আশ্রয় নিয়েছি।