ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু শুক্রবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম স্থির, সাপ্তাহিক দরপতনের পথে ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ

জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা (গার্ড অব অনার) ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেনের (৮৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বকশীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বাধার কারণে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মদনেরচর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

দেলোয়ার হোসেন সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি গত বুধবার রাত ৩টার দিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মারা যান। বৃহস্পতিবার বিকেলে জানাজা নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেনকে গার্ড অব অনার দিতে পুলিশ নিয়ে মদনেরচর এলাকায় যাচ্ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা। তবে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা তাদের গতিরোধ করেন এবং দাবি করেন যে, দেলোয়ার হোসেন মুক্তিযোদ্ধা নন।

দেলোয়ার হোসেনের ছেলে শামীম মিয়া বলেন, তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পেতেন। তিনি জানান, কিছু মুক্তিযোদ্ধা তার বাবাকে সম্মাননা দিতে বাধা দিয়েছেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলী বলেন, দেলোয়ার হোসেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের বাধার মুখে তা স্থগিত করা হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি

জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় : ১১:২৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা (গার্ড অব অনার) ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেনের (৮৫) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বকশীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বাধার কারণে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে সাধুরপাড়া ইউনিয়নের মদনেরচর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

দেলোয়ার হোসেন সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি গত বুধবার রাত ৩টার দিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে মারা যান। বৃহস্পতিবার বিকেলে জানাজা নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেনকে গার্ড অব অনার দিতে পুলিশ নিয়ে মদনেরচর এলাকায় যাচ্ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমা উল হুসনা। তবে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা তাদের গতিরোধ করেন এবং দাবি করেন যে, দেলোয়ার হোসেন মুক্তিযোদ্ধা নন।

দেলোয়ার হোসেনের ছেলে শামীম মিয়া বলেন, তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন এবং সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পেতেন। তিনি জানান, কিছু মুক্তিযোদ্ধা তার বাবাকে সম্মাননা দিতে বাধা দিয়েছেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নওশেদ আলী বলেন, দেলোয়ার হোসেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দিতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের বাধার মুখে তা স্থগিত করা হয়।