লেখালেখি ও কফির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বিশ্ব বই দিবসে বই পড়ার ফাঁকে এক কাপ গরম কফি লেখকদের চিন্তার জগতে নতুন মাত্রা যোগ করে। কফি নিয়ে বিশ্বখ্যাত লেখকদের ১০টি উক্তি এখানে তুলে ধরা হলো।
লুইসা মে অ্যালকট বলেছেন, “এই মুহূর্তে প্রশংসার চেয়ে আমি কফিই বেশি পছন্দ করব।” সকালের শুরুতে কফির গুরুত্ব ফুটে উঠেছে এই উক্তিতে।
জে. ডি. স্যালিঞ্জার বলেন, “কেউ যদি বলে কফি তৈরি হয়ে গেছে, অথচ গিয়ে দেখি সেটা এখনো তৈরি হয়নি, তখন বিষয়টি আমাকে ভীষণ বিরক্ত করে।” কফি তৈরি হওয়ার অপেক্ষার চিত্রটি তার কথায় স্পষ্ট।
মার্গারেট অ্যাটউডের মন্তব্য, “হারবাল চায়ের দিকেও আমি তাকাই না। সরাসরি আসল, কড়া কফির দিকে যাই।” কফির তীব্র স্বাদ ও ক্যাফেইনের প্রভাব নিয়ে তার রসিকতা প্রকাশ পায়।
জন গ্রিশাম বলেন, “তোমার কিছু কফি দরকার, তাই না?” উত্তরে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, আমি তো মাত্র এক গ্যালন খেয়েছি।” কফির পরিমাণ নিয়ে হাস্যরসাত্মক সংলাপ ফুটে উঠেছে।
বালজাকের উক্তি, “কফি না থাকলে লেখা সম্ভব হতো না, অর্থাৎ বেঁচে থাকাও সম্ভব হতো না।” কফি ও লেখকজীবনের সম্পর্ক এখানে স্পষ্ট।
ভলতেয়ারের মতে, “এই পানীয় গ্রহণ করলে ভালো থাকা ও আশার অনুভূতি তৈরি হয়।” তিনি দিনে ৪০ থেকে ৫০ কাপ কফি পান করতেন।
অ্যাডামস বলেন, “আমার বইয়ের জন্য অনুপ্রেরণা কোথা থেকে আসে? আমি নিজেকে বলি, কোনো একটি ভাবনা মাথায় না আসা পর্যন্ত আর এক কাপ কফি খাব না।” কফিকে লেখার অনুপ্রেরণার সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন তিনি।
হেমিংওয়ে তার লেখার প্রস্তুতির সময় বলেন, “আমি ক্যাফেটি থেকে এক কাপ ক্যাফে অ লে অর্ডার করলাম।” এই বর্ণনায় লেখার পরিবেশ ফুটে উঠেছে।
বুকাওস্কি বলেন, “আমি শুধু এক কাপ গরম কালো কফি চাই।” সকালের শান্ত সময়ে কফির আকুতির প্রকাশ রয়েছে।
স্টেইন বলেন, “কফি তোমাকে ভাবার সময় দেয়। এটি এমন কিছু যা ঘটছে।” কফি কেবল একটি পানীয় নয়, বরং নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর উপলক্ষ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 























