বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট টানা চার দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বয়লার অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া ও কারিগরি জটিলতার কারণে এই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াটের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ত্রুটি মেরামতের জন্য ভারত থেকে দুইজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আসার কথা থাকলেও বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত তারা আসেননি। কর্তৃপক্ষ জানায়, ভারতীয় প্রকৌশলীরা আসার পর বয়লারের কাজ সম্পন্ন করা হবে। তবে কবে নাগাদ এই ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
রামপাল মৈত্রী তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র ২০২৪ সালের ১২ মার্চ বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। এর আগে, ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিট এবং ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যায়।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার আগে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে বর্তমানে উৎপাদন কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে, যা দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন, ভারতীয় প্রকৌশলীরা আসার পর আরও ৩ থেকে ৪ দিন সময় লাগতে পারে। তবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
প্রতিনিধির নাম 
























