নওগাঁর ধামইরহাটে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাঁচ বছরের এক শিশুকে গাছে আটকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক পরিবারের বিরুদ্ধে। বর্তমানে শিশুটি ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশু মাশরাফি উপজেলার রূপনারায়ণপুর (শল্পী খাটাপাড়া) গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের প্রতিবেশী সাইদুল ইসলাম, তার স্ত্রী মঞ্জুয়ারা ও ছেলে মিনহাজ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে খেলাধুলা নিয়ে মাশরাফির সঙ্গে মিনহাজের বিরোধ হয়।
এ ঘটনায় মাশরাফির মা তহুরা বেগমের সঙ্গে মিনহাজের মা মঞ্জুয়ারার কথা-কাটাকাটি হয়। অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে মঞ্জুয়ারা শিশুটিকে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির বাইরে নিয়ে গিয়ে গাছের সঙ্গে আটকে মারধর করেন। এ সময় মিনহাজ কোদাল নিয়ে এসে শিশুটিকে মাটিতে পুঁতে ফেলার ভয় দেখান বলেও অভিযোগ রয়েছে।
শিশুটির পরিবার জানায়, মঞ্জুয়ারার স্বামী সাইদুল ইসলাম ঘটনাটি থামানোর পরিবর্তে স্ত্রী ও ছেলেকে উসকানি দেন এবং নির্যাতনে সহযোগিতা করেন। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
শিশুটির মা তহুরা বেগম বলেন, ‘ঘটনার পর ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে এখন আতঙ্কিত হয়ে ঘুমের মধ্যেও চিৎকার করে।’ তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
ধামইরহাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলামিন জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফ হাসান বলেন, ‘শিশুটির আঘাতের স্থানগুলোতে ফুলে ছিল, এখন কিছুটা কমেছে এবং বর্তমানে শিশুটি মোটামুটি সুস্থ আছে।’
প্রতিনিধির নাম 
























