ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

নবীজি (সা.) এর শিক্ষা: মানবতার কল্যাণে অঙ্গীকার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

মদিনায় যখন হজরত মুহাম্মদ (সা.) পা রাখেন, তখন চারপাশ থেকে মানুষ তার পবিত্র মুখমণ্ডল দেখার জন্য ভিড় জমান। তৎকালীন ইহুদি পণ্ডিত ও সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) নবীজির মুখের দিকে তাকিয়ে অনুভব করেন, এ চেহারা কখনো মিথ্যাবাদীর হতে পারে না। নবীজি (সা.) উম্মতকে যে অমূল্য বাণী ও চারিত্রিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তা মানবজাতির শান্তি ও মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নবীজি (সা.) কেবল তত্ত্বের কথা বলেননি, বরং তিনি যা বলতেন তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে দেখাতেন। তার আদর্শ আচরণ মদিনার নতুন সমাজে মানুষের মধ্যে গভীর আস্থা তৈরি করেছিল। তিনি যে সোনালি উপদেশগুলো দিয়েছিলেন, তা মানবকল্যাণ ও সামাজিক সম্প্রীতির একটি অনবদ্য দলিল।

নবীজি (সা.) বলেন, "হে মানুষ! তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়াও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখ এবং রাতে নামাজ আদায় কর; তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।" (তিরমিজি ২৪৮৫, মুসনাদে আহমাদ ২৩৪০৮)। এই উপদেশগুলো মানবতার কল্যাণে অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হয়।

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, সালামের প্রচলন, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাতের নামাজের গুরুত্ব নবীজির শিক্ষা। তিনি বলেন, "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত করা হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বুখারি ২০৬৭)।

নবীজি (সা.) এর শিক্ষা আজকের অশান্ত পৃথিবীতে শান্তি ও সাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে। তার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে মানবতার কল্যাণে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নবীজি (সা.) এর শিক্ষা: মানবতার কল্যাণে অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৮:১৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মদিনায় যখন হজরত মুহাম্মদ (সা.) পা রাখেন, তখন চারপাশ থেকে মানুষ তার পবিত্র মুখমণ্ডল দেখার জন্য ভিড় জমান। তৎকালীন ইহুদি পণ্ডিত ও সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) নবীজির মুখের দিকে তাকিয়ে অনুভব করেন, এ চেহারা কখনো মিথ্যাবাদীর হতে পারে না। নবীজি (সা.) উম্মতকে যে অমূল্য বাণী ও চারিত্রিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তা মানবজাতির শান্তি ও মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নবীজি (সা.) কেবল তত্ত্বের কথা বলেননি, বরং তিনি যা বলতেন তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে দেখাতেন। তার আদর্শ আচরণ মদিনার নতুন সমাজে মানুষের মধ্যে গভীর আস্থা তৈরি করেছিল। তিনি যে সোনালি উপদেশগুলো দিয়েছিলেন, তা মানবকল্যাণ ও সামাজিক সম্প্রীতির একটি অনবদ্য দলিল।

নবীজি (সা.) বলেন, "হে মানুষ! তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়াও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখ এবং রাতে নামাজ আদায় কর; তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।" (তিরমিজি ২৪৮৫, মুসনাদে আহমাদ ২৩৪০৮)। এই উপদেশগুলো মানবতার কল্যাণে অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হয়।

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, সালামের প্রচলন, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাতের নামাজের গুরুত্ব নবীজির শিক্ষা। তিনি বলেন, "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত করা হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বুখারি ২০৬৭)।

নবীজি (সা.) এর শিক্ষা আজকের অশান্ত পৃথিবীতে শান্তি ও সাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে। তার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে মানবতার কল্যাণে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব।