মদিনায় যখন হজরত মুহাম্মদ (সা.) পা রাখেন, তখন চারপাশ থেকে মানুষ তার পবিত্র মুখমণ্ডল দেখার জন্য ভিড় জমান। তৎকালীন ইহুদি পণ্ডিত ও সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) নবীজির মুখের দিকে তাকিয়ে অনুভব করেন, এ চেহারা কখনো মিথ্যাবাদীর হতে পারে না। নবীজি (সা.) উম্মতকে যে অমূল্য বাণী ও চারিত্রিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তা মানবজাতির শান্তি ও মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নবীজি (সা.) কেবল তত্ত্বের কথা বলেননি, বরং তিনি যা বলতেন তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে দেখাতেন। তার আদর্শ আচরণ মদিনার নতুন সমাজে মানুষের মধ্যে গভীর আস্থা তৈরি করেছিল। তিনি যে সোনালি উপদেশগুলো দিয়েছিলেন, তা মানবকল্যাণ ও সামাজিক সম্প্রীতির একটি অনবদ্য দলিল।
নবীজি (সা.) বলেন, "হে মানুষ! তোমরা সালামের প্রসার ঘটাও, ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়াও, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখ এবং রাতে নামাজ আদায় কর; তাহলে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।" (তিরমিজি ২৪৮৫, মুসনাদে আহমাদ ২৩৪০৮)। এই উপদেশগুলো মানবতার কল্যাণে অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানো, সালামের প্রচলন, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং রাতের নামাজের গুরুত্ব নবীজির শিক্ষা। তিনি বলেন, "যে ব্যক্তি চায় তার রিজিক প্রশস্ত করা হোক, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।" (বুখারি ২০৬৭)।
নবীজি (সা.) এর শিক্ষা আজকের অশান্ত পৃথিবীতে শান্তি ও সাম্য ফিরিয়ে আনতে পারে। তার প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করে মানবতার কল্যাণে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব।
প্রতিনিধির নাম 
























