পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল আলম কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগের মুখে পড়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক ওইদিন বিদ্যালয়ে আসেননি। তবে তার অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে তারা কিছু জানাতে পারেননি। হাজিরা খাতায় রোববারের তারিখে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরও পাওয়া যায়নি।
কিছু সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রধান শিক্ষক প্রায়ই বিদ্যালয়ে আসেন না এবং দাপ্তরিক কিংবা ব্যক্তিগত কাজে বাইরে থাকেন। তবে তাদের জানানো হয় না কেন তিনি অনুপস্থিত থাকেন।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের ছুটি গ্রহণের জন্য নির্ধারিত নিয়ম রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের ছুটির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আওতায় পড়ে। বর্তমানে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে কোনো ম্যানেজিং কমিটি নেই, ফলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন।
দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, প্রধান শিক্ষক ছুটির ব্যাপারে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। অপরদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নেই।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পঞ্চগড় জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডিজার হোসেন বাদশা বলেন, প্রধান শিক্ষককে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং কর্তৃপক্ষকে জানানো ছাড়া অনুপস্থিত থাকা উচিত নয়।
প্রতিনিধির নাম 
























