ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলের মাদরাসায় ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দেন।

মির্জাপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন এবং মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকে আটক করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্রি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়া ছলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ বছরের এক ছাত্র মাদরাসায় ভর্তি হয় এবং আবাসিক থাকে। গত তিন মাস ধরে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

বাড়িতে যাওয়ার পর ওই ছাত্রের মায়ের কাছে বিষয়টি প্রকাশ পায় এবং চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রের মা, নানা ও মামা মাদরাসায় এসে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন।

এদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বলেন, ছাত্ররা মিথ্যা বলছে। মাদরাসার প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত করা হবে। মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর মা মামলা করার পরিকল্পনা করছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

টাঙ্গাইলের মাদরাসায় ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক আটক

আপডেট সময় : ০২:২৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদরাসার নাজেরা বিভাগের এক ছাত্রকে নিয়মিত ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দেন।

মির্জাপুর থানার পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন এবং মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকে আটক করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্রি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়া ছলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ বছরের এক ছাত্র মাদরাসায় ভর্তি হয় এবং আবাসিক থাকে। গত তিন মাস ধরে ওই ছাত্রকে ফুসলিয়ে ও ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।

বাড়িতে যাওয়ার পর ওই ছাত্রের মায়ের কাছে বিষয়টি প্রকাশ পায় এবং চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রের মা, নানা ও মামা মাদরাসায় এসে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন।

এদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বলেন, ছাত্ররা মিথ্যা বলছে। মাদরাসার প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত করা হবে। মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর মা মামলা করার পরিকল্পনা করছেন।