ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাটওয়ারীর গাড়ি নিয়ে শোডাউনের ঘোষণা, আওয়ামী লীগ নেতার অভিযোগ কঙ্গোর বিয়েবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২২ সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করে মুখে কাপড় বেঁধে বের হলেন বিরোধীদলীয় নেতারা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটের বাইরে রাখার চিন্তাভাবনা নির্বাচন কমিশনের ঝিনাইদহে নিখোঁজ সন্তানের বাবার কান্না: পুলিশকে অভিযোগের অসহায়ত্ব চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে অসুস্থ ১৫ শিক্ষার্থী মেঘনা আলমের দাবি: আমি শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি সাইকেলে হজ পালনে মক্কার উদ্দেশে যাত্রা নরসিংদীর তরুণের কুড়িগ্রামে সার বিতরণে হট্টগোল, পুলিশি পাহারায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মস্কোতে পুতিন, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সম্ভাবনা

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীকে প্রাইভেট ক্লিনিকে টেস্ট করানোর পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাজমুল হাসান অভিযোগ করেন, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে অসুস্থতা নিয়ে তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগে এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক মাত্র এক মিনিটের মধ্যে তার সমস্যার কথা শুনে কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা (টেস্ট) লিখে দেন। পরে চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় একজন সহকারী তার হাতে একটি ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দেন।

নাজমুল হাসানের দাবি, ওই সহকারী তাকে বলেন, এই টেস্টগুলো সরকারি হাসপাতালে করলে বেলা ৩টা বেজে যাবে। আমাদের এখানে এসে টেস্ট করান, এই ডাক্তারই আপনাকে দেখবেন। সময়ও কম লাগবে।

এ ঘটনায় তার মনে প্রশ্ন দেখা দেয়, চিকিৎসক যে পরীক্ষাগুলো লিখে দিয়েছেন সেগুলো প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজনীয় ছিল কি না, নাকি রোগীদের নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পাঠিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায়ের একটি পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা, রোগীসেবা এবং চিকিৎসকদের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রোগীদের একটি অংশের দাবি, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটওয়ারীর গাড়ি নিয়ে শোডাউনের ঘোষণা, আওয়ামী লীগ নেতার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীকে প্রাইভেট ক্লিনিকে টেস্ট করানোর পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক নাজমুল হাসান অভিযোগ করেন, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে অসুস্থতা নিয়ে তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগে এক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। চিকিৎসক মাত্র এক মিনিটের মধ্যে তার সমস্যার কথা শুনে কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা (টেস্ট) লিখে দেন। পরে চিকিৎসকের কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় একজন সহকারী তার হাতে একটি ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দেন।

নাজমুল হাসানের দাবি, ওই সহকারী তাকে বলেন, এই টেস্টগুলো সরকারি হাসপাতালে করলে বেলা ৩টা বেজে যাবে। আমাদের এখানে এসে টেস্ট করান, এই ডাক্তারই আপনাকে দেখবেন। সময়ও কম লাগবে।

এ ঘটনায় তার মনে প্রশ্ন দেখা দেয়, চিকিৎসক যে পরীক্ষাগুলো লিখে দিয়েছেন সেগুলো প্রকৃতপক্ষে প্রয়োজনীয় ছিল কি না, নাকি রোগীদের নির্দিষ্ট ক্লিনিকে পাঠিয়ে আর্থিক সুবিধা আদায়ের একটি পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা, রোগীসেবা এবং চিকিৎসকদের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

রোগীদের একটি অংশের দাবি, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।