ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন (৪৯) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার হওয়ার দুই দিন পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বাসভাড়া দেওয়ার সময় যাত্রী ইসমাইলের কাছে আরও টাকা থাকার বিষয়টি নজরে পড়ে বাসের সুপারভাইজারের। এরপর চালক ও সুপারভাইজার ইসমাইলের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন। একপর্যায়ে বাসের অন্য যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে ইসমাইলকে বাসে আটকে রেখে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বনানী অংশে ফেলে দেওয়া হয়।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বনানী থানা-পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাসচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাসচালক সোহেল রানা (৪১), সুপারভাইজার সাজু ওরফে লিমন (২৬) এবং বাসের সহকারী মো. মনির হোসেন (১৯)। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি গামছা, রক্তমাখা দুটি আসনের কভার ও একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন জানান, ৪ সেপ্টেম্বর সকাল পৌনে নয়টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশের মুখ ও দুই হাতে স্কচটেপ পেচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ইসমাইলের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করেছেন।
প্রতিনিধির নাম 

























