কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে আলোচিত পীর আব্দুর রহমান ওরফে শামিমের দেহাবশেষ পুনরায় দাফনের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ভাই ফজলুর রহমান শনিবার রাতে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
ঘটনার পর থেকে শামিমের কবরস্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীও কবরটি পাহারা দিচ্ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কবরটি পাকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপনগর কবরস্থান থেকে শামিমের দেহাবশেষ তুলে নেওয়া হয় এবং পরে তা তার প্রতিষ্ঠিত দরবার শরিফে পুনরায় দাফন করা হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরোনো কবরটি খোঁড়া অবস্থায় দেখতে পায়।
শামিম হত্যার ঘটনায় তার বড় ভাই ১৩ এপ্রিল রাতে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন, যেখানে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়। হত্যার পর কবর খুঁড়ে দেহাবশেষ তুলে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তিনি বলেন, ‘রাতের আঁধারে কারা কবর খুঁড়ে দেহাবশেষ সরিয়ে নিয়েছে, তা শনাক্তে চেষ্টা চলছে।’
প্রতিনিধির নাম 























