প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তির নকশা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রয়োজন।
সরকার সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, নির্বাহী কমিটি ও পরামর্শক কমিটি গঠন করেছে। এই উদ্যোগটি পার্বত্য অঞ্চলের সংকট সমাধানে একটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের জনগণের জন্য একটি জনগণমুখী শান্তির নকশা তৈরি করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পাহাড়ের ভূমির মালিকানা ও সীমানা সংক্রান্ত বিরোধগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলমান। এসব বিরোধ স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামাজিক অবিশ্বাস তৈরি করছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে এর প্রভাব পড়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন গঠিত কাঠামো যদি কার্যকরভাবে কাজ করে, তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের জনগণ বাংলাদেশের সম্মানিত নাগরিক এবং তাঁদের উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত।
লেখক হিসেবে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক উল্লেখ করেছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং এর উন্নয়ন দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যাবশ্যক।
প্রতিনিধির নাম 

























