ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির আদেশে এনবিআর আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল শিশু নিখোঁজের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ প্রদান বিরোধী দলের লংমার্চকে অযৌক্তিক বললেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি মালয়েশিয়ার কাছে পরাজিত বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ হকি দল ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, মিত্রদের নিয়ে পরিকল্পনা অক্সফোর্ডে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করলেন বাংলাদেশের তরুণ গবেষক মো. আশরাফুর রহমান ব্র্যাক এনজিওতে ৩টি পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন অনলাইনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও সফর শুরু সুপ্রিম কোর্টে বাজেট বরাদ্দ ও বিচারক নিয়োগের জন্য লিগ্যাল নোটিশ

মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেলে নদীভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহীন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের তীব্র নদীভাঙনে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর আগ্রাসন ঠেকাতে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে প্রতিদিন নতুন করে ভাঙন ঘটছে।

রামপালের পেড়িখালী ইউনিয়নের রোমজাইপুর এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবারের বসতবাড়ি। সিংগড়বুনিয়ার রামপাল খেয়াঘাটে নির্মিত যাত্রীছাউনিও নদীতে চলে গেছে, যা নৌপথে যাত্রী পারাপারে সমস্যা সৃষ্টি করছে।

ওড়াবুনিয়া এলাকায় রামপাল কৃষি অফিস থেকে বগুড়া ব্রিজ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৪০টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং ঝুঁকিতে রয়েছে আরও ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। স্থানীয় কৃষি অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসও ভাঙনের মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনের কারণে স্কুল, কলেজ ও হাট-বাজারে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেল সচল করার লক্ষ্যে ২০১১-১২ অর্থবছরে খননকাজ শুরু হলেও পরিবেশবাদী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে কাজ না হওয়ায় নদীভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।

ভুক্তভোগীরা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও তা তাদের পুনর্বাসনের জন্য যথেষ্ট নয়। তারা জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির আদেশে এনবিআর আন্দোলনে অংশ নেওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল

মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেলে নদীভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহীন

আপডেট সময় : ১২:২৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের তীব্র নদীভাঙনে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শতাধিক পরিবার তাদের বসতভিটা হারিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর আগ্রাসন ঠেকাতে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে প্রতিদিন নতুন করে ভাঙন ঘটছে।

রামপালের পেড়িখালী ইউনিয়নের রোমজাইপুর এলাকায় নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবারের বসতবাড়ি। সিংগড়বুনিয়ার রামপাল খেয়াঘাটে নির্মিত যাত্রীছাউনিও নদীতে চলে গেছে, যা নৌপথে যাত্রী পারাপারে সমস্যা সৃষ্টি করছে।

ওড়াবুনিয়া এলাকায় রামপাল কৃষি অফিস থেকে বগুড়া ব্রিজ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৪০টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে এবং ঝুঁকিতে রয়েছে আরও ২৫ থেকে ৩০টি পরিবার। স্থানীয় কৃষি অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসও ভাঙনের মুখে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নদীভাঙনের কারণে স্কুল, কলেজ ও হাট-বাজারে যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মোংলা-ঘোষিয়াখালী চ্যানেল সচল করার লক্ষ্যে ২০১১-১২ অর্থবছরে খননকাজ শুরু হলেও পরিবেশবাদী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে কাজ না হওয়ায় নদীভাঙন বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য টেকসই বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।

ভুক্তভোগীরা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও তা তাদের পুনর্বাসনের জন্য যথেষ্ট নয়। তারা জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।