যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বৃহস্পতিবার বিদেশি ড্রোনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। এই পদক্ষেপটি চীনা ড্রোন শিল্পকে প্রতিহত করা এবং দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। নতুন শুল্ক ৫৫ পাউন্ডের বেশি ওজনের এবং থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তি ব্যবহারকারী ড্রোনের ওপর প্রযোজ্য হবে।
৩ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই শুল্কের আওতায় তুলনামূলক ছোট ড্রোনের জন্য ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের জন্য এই ধরনের ড্রোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে এবং দাবানল পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাণিজ্য বিভাগের এক তদন্তে বিদেশি ড্রোন ও যন্ত্রাংশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এদিকে, ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ দুই ছেলে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন শিল্পের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ রাখছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হলো, ড্রোন প্রযুক্তির জন্য চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। তবে সমালোচকরা বলছেন, দেশীয় ড্রোন শিল্প এই শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না।
ক্লিভল্যান্ডের ‘লেক কাউন্টি ড্রোন ইউনিট’-এর প্রধান স্কট ম্লাকার নতুন শুল্ককে আর্থিক চাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এটি সামাজিক গোষ্ঠীগুলোর জন্য থার্মাল ড্রোনের প্রাপ্যতা কমিয়ে দেবে।
প্রতিনিধির নাম 






















