নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এলাকায় ফাঁকা গুলি বর্ষণ করা হয়, যা আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সংঘর্ষের ফলে উভয়পক্ষের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে এবং তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১০টার দিকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন সদস্য বরপা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল বের করে। যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরজু ভুঁইয়া মিছিলে বাধা দিলে ছাত্রলীগ নেতা রাফিন ভূঁইয়ার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এর পর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় ৪-৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয় এবং ১২টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি রাউন্ড তাজা গুলি, দুই রাউন্ড গুলির খোসা ও একটি মোটরসাইকেলের পোড়া অংশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আরজু ভুঁইয়া বাদী হয়ে ১২ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
প্রতিনিধির নাম 

























