ঢাকা ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এআই গবেষণায় এআইইউবি ও ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি থেকে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সৌদি আরবে হজযাত্রীদের জন্য নতুন ইলেকট্রনিক প্যাকেজ চালুর ঘোষণা খুনিদের সাথে আপস করলে ফের রাজপথে ফয়সালা হবে: জাবের বরগুনা আমতলী আদালত পরিদর্শন করলেন হাইকোর্টের দুই বিচারপতি জিদানের প্রশংসায় ওলিসে: ‘সে খাঁটি প্রতিভা’ গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী মেসির সঙ্গে ঝগড়ার ঘটনায় রদ্রিগেজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট রংপুরে আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণ জানতে চান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সুবিধাভোগী নির্বাচনে রাজনৈতিক বিবেচনা না করার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি থেকে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি একসঙ্গে কাজ করবে টেলিকম খাতের মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারিকে আইপিএস (ইনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই) সিস্টেমে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই অংশীদারিত্ব পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সার্কুলার অর্থনীতির চর্চা এবং সামাজিক ক্ষমতায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ইডটকোর ফ্ল্যাগশিপ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’-এর অধীনে, টেলিকম খাতে ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে প্রযুক্তিগতভাবে কার্যক্ষম সেলগুলো পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করা হবে।

এই ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেম দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য স্থানে স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির জীবনমান ও কল্যাণ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।

ইডটকোর কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন মানে শুধু পরিবেশ সংরক্ষণ নয়, বরং মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমাদের ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ উদ্যোগের আওতায় এই অংশীদারিত্ব মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে।’

ইডটকোর ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ সিএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এক লাখের বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রেখেছে। নতুন এই অংশীদারিত্ব সেই সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই গবেষণায় এআইইউবি ও ব্রেইন স্টেশন ২৩-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

মেয়াদোত্তীর্ণ টেলিকম ব্যাটারি থেকে ব্যাকআপ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অবকাঠামো সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইডটকো বাংলাদেশ ও টাইগার লিথিয়াম এনার্জি একসঙ্গে কাজ করবে টেলিকম খাতের মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারিকে আইপিএস (ইনস্ট্যান্ট পাওয়ার সাপ্লাই) সিস্টেমে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে। সম্প্রতি উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই অংশীদারিত্ব পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা, সার্কুলার অর্থনীতির চর্চা এবং সামাজিক ক্ষমতায়নে উভয় প্রতিষ্ঠানের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ইডটকোর ফ্ল্যাগশিপ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচি ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’-এর অধীনে, টেলিকম খাতে ব্যবহৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যাটারি থেকে প্রযুক্তিগতভাবে কার্যক্ষম সেলগুলো পুনরুদ্ধার করে সেগুলোকে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ বিদ্যুৎ সমাধানে রূপান্তর করা হবে।

এই ব্যাকআপ পাওয়ার সিস্টেম দেশের নির্বাচিত গ্রামীণ স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য স্থানে স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কমিউনিটির জীবনমান ও কল্যাণ উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ।

ইডটকোর কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল-বাতুনী মোহাম্মাদ সাঈদ আহমেদ বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন মানে শুধু পরিবেশ সংরক্ষণ নয়, বরং মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমাদের ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ উদ্যোগের আওতায় এই অংশীদারিত্ব মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যবহৃত টেলিকম ব্যাটারিকে নতুনভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করবে।’

ইডটকোর ‘টাওয়ার টু পাওয়ার’ সিএসআর প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এক লাখের বেশি মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রেখেছে। নতুন এই অংশীদারিত্ব সেই সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।