নেদারল্যান্ডসের মিনা গেলটিঙ্ক ও মিনাল টিসেনের জীবনের গল্পে উঠে এসেছে এক অদ্ভুত সত্য। কিশোরী বয়সে একটি অনুষ্ঠানে পরিচয়ের পর তারা বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন, কিন্তু ১৫ বছর আগে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সম্প্রতি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তারা আসলে আপন দুই বোন।
মিনা ও মিনাল ভারতের মুম্বাইয়ে ১৯৮০-এর দশকে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র কয়েক মাস বয়সে আলাদা এতিমখানা থেকে দত্তক নেওয়া হয়। প্রথম দেখায় তাদের চেহারা ও অঙ্গভঙ্গিতে অদ্ভুত মিল দেখে বিস্মিত হন তারা।
৪৩ বছর বয়সী মিনা বলেন, ‘বন্ধুরা আমাদের দেখে বলেছিল, 'তোমরা আয়নায় নিজেদের দেখো।' আয়নায় দেখার পর আমার মনে হলো, হে ঈশ্বর, ওর কাছে তো দেখি আমার নাকটা!’
যদিও সময়ের সাথে সাথে তাদের জীবন ব্যস্ত হয়ে ওঠে এবং যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়, ২০১৭ সালে মিনার ডিএনএ পরীক্ষা করার পর তারা আবার যোগাযোগ করেন। চলতি বছরের ২০ মে মিনাল ফেসবুকে মিনাকে একটি বার্তা পাঠান, যা তাদের পুনর্মিলনের সূচনা করে।
ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায়, মিনার সঙ্গে একজনের ১০০ শতাংশ মিল রয়েছে, যিনি আর কেউ নন, তার পুরোনো বন্ধু মিনাল। এরপর তারা জানতে পারেন, তারা আসলে দুই বোন। গত আগস্টে তারা প্রথমবারের মতো দুই বোন হিসেবে একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন।
প্রতিনিধির নাম 






















