ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের পরিকল্পনা: মাহদী আমিন ডিএনএ পরীক্ষায় দুই বন্ধু আসলে দুই বোন, জানা গেল অবিশ্বাস্য সত্য গাজীপুরে প্রেমের জেরে নারীর হত্যাকাণ্ড: প্রেমিক ও তার মায়ের গ্রেপ্তার গাজীপুরে পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনিয়ে নিল মাদক কারবারিরা নদীভাঙনে হুমকির মুখে পটুয়াখালীর পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয় সিরাজগঞ্জে রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ হরমুজে মার্কিন ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের ৫৮টি বিমান অভিযান বাণিজ্যে ভারতকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র মুন্সীগঞ্জে ১০৭২১ কৃষক পাচ্ছেন কৃষক কার্ড

নদীভাঙনে হুমকির মুখে পটুয়াখালীর পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ১৮৩ নম্বর পশ্চিম চরকাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। বিদ্যালয় ভবন থেকে মাত্র ১৫০ ফুট দূরে এসে ঠেকেছে বুড়াগৌরাঙ্গ নদী। ভাঙন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে স্থানীয় আহম্মেদ আবু জাফরের দান করা ৪০ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয় এবং বর্তমানে দুই শিফটে ১০৫ জন শিক্ষার্থী প্রাক-প্রাথমিকসহ ছয়টি শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ভাঙনে পশ্চিম চরকাজল মৌজা পুরোপুরি এবং বড় চরকাজল মৌজার একাংশ ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের কারণে একটি মাদ্রাসা, চারটি মসজিদ ও একটি কমিউনিটি বিদ্যালয়ের ভবনসহ শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলী জমি নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাহিরুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয় থেকে ভাঙনস্থল প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ফুট দূরে রয়েছে। তবে স্কুল-সংলগ্ন বেড়িবাঁধটির ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে গাছ দিয়ে বেড়িবাঁধ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু সরকারি কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাশিদা বেগম বলেন, নদীভাঙনের ফলে বিদ্যালয়ের ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জানান, নদীভাঙন রোধে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের কাছে আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম সগীর জানান, নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইজাজুল হক বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের পরিকল্পনা: মাহদী আমিন

নদীভাঙনে হুমকির মুখে পটুয়াখালীর পশ্চিম চরকাজল প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০২:০০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ইউনিয়নের ১৮৩ নম্বর পশ্চিম চরকাজল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নদীভাঙনের কারণে বিলীন হওয়ার হুমকিতে রয়েছে। বিদ্যালয় ভবন থেকে মাত্র ১৫০ ফুট দূরে এসে ঠেকেছে বুড়াগৌরাঙ্গ নদী। ভাঙন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে স্থানীয় আহম্মেদ আবু জাফরের দান করা ৪০ শতাংশ জমিতে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয় এবং বর্তমানে দুই শিফটে ১০৫ জন শিক্ষার্থী প্রাক-প্রাথমিকসহ ছয়টি শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ভাঙনে পশ্চিম চরকাজল মৌজা পুরোপুরি এবং বড় চরকাজল মৌজার একাংশ ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের কারণে একটি মাদ্রাসা, চারটি মসজিদ ও একটি কমিউনিটি বিদ্যালয়ের ভবনসহ শতাধিক বসতবাড়ি ও ফসলী জমি নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাহিরুল ইসলাম জানান, বিদ্যালয় থেকে ভাঙনস্থল প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ ফুট দূরে রয়েছে। তবে স্কুল-সংলগ্ন বেড়িবাঁধটির ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে গাছ দিয়ে বেড়িবাঁধ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু সরকারি কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাশিদা বেগম বলেন, নদীভাঙনের ফলে বিদ্যালয়ের ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান জানান, নদীভাঙন রোধে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হকের কাছে আবেদন করা হয়েছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম সগীর জানান, নদীভাঙন রোধে জিওব্যাগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইজাজুল হক বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন।