ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহঃ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন খান বলেছেন, ডাকসু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক্সটেনশন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের প্ল্যাটফর্ম।
আজ শনিবার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এ কথা জানান। সম্প্রতি ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষণ মূল্যায়ন চালু করার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ডাকসুর কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় জড়িত ডাকসু প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
মহিউদ্দিন খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হঠাৎ করে ডাকসুকে প্যারালাল প্রশাসন হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন ডাকসুকে একটি বনসাইয়ে পরিণত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, ডাকসু প্রশাসনকে ‘জি হুজুর’ বলার জন্য গঠিত কোনো প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করে।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোর মধ্যে সিন্ডিকেটের কথা উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। ডাকসু এই সিন্ডিকেটকে চ্যালেঞ্জ করে বলেই ডাকসুর বাজেট নেই এবং পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
সবশেষে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত নিজেদের ইনসিকিউরিটি থেকে বের হয়ে আসা এবং ‘প্যারালাল প্রশাসন’ বিষয়ক আলোচনা তাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রমাণ।
প্রতিনিধির নাম 
























