ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় খল অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৬ সালে এই মামলায় ডনের গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার ও সালমান শাহর মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যা। তবে সিআইডি, বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং সর্বশেষ পিবিআইয়ের তদন্তে হত্যার অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার বাবা প্রথমে অপমৃত্যু মামলা করেন, পরে ১৯৯৭ সালে হত্যার অভিযোগে মামলা রূপান্তরিত করেন। সিআইডির প্রতিবেদনে সালমান শাহকে আত্মহত্যাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা তার পরিবার প্রত্যাখ্যান করে।
২০১৬ সালে র্যাবের তদন্ত বন্ধ হয়ে গেলে মামলাটি পিবিআইয়ের হাতে চলে যায়। ২০২০ সালে পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়, যেখানে সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে আবারও তদন্তের দাবি জানানো হয়।
২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশে মামলাটি আবার হত্যা মামলা হিসেবে তদন্তের আওতায় আসে। বর্তমানে তদন্ত চলছে এবং ডনের গ্রেপ্তারের পর মামলার নতুন মোড় এসেছে।
প্রতিনিধির নাম 



















