স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে, তবে তিনি পরবর্তী নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হবেন না। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এ তথ্য জানান।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি বা দলের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তির সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার দুটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা।
তিনি আরও জানান, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দেবেন। স্পিকার এটি নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন এবং কমিশন পদটি শূন্য ঘোষণা করবে। এরপর শূন্য হওয়া পদটি পূরণের জন্য নির্বাচন কমিশন শিডিউল দেবেন।
ব্যারিস্টার কাজল বলেন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সম্পূর্ণরূপে প্রতিপালিত হয়েছে। তিনি যদি পরবর্তী সংসদে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাহলে এটি তার অযোগ্যতা হবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জামায়াতের বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলামের সদস্য পদ নিয়ে বলেন, গাজী নজরুল ইসলাম পদত্যাগ করেননি, বরং জামায়াতে ইসলামী তাকে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে বহিষ্কার করেছে।
প্রতিনিধির নাম 




















