মুরগির খাদ্য ও পালন-পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে ডিমের পুষ্টিমান, খোসার রঙের ওপর নয়। সুপারশপ বা বাজারে ডিম কেনার সময় অনেকেই বাদামি ডিমকে বেশি পুষ্টিকর মনে করেন, কিন্তু পুষ্টিবিদ ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডিমের খোসার রঙের সঙ্গে এর পুষ্টিগুণের কোনো সম্পর্ক নেই।
ডিমের খোসার রঙ মূলত মুরগির জাত ও বংশগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। সাদা ডিম সাধারণত হোয়াইট লেগহর্ন, হোয়াইট রক ও কর্নিশ জাতের মুরগি পাড়ে, আর বাদামি ডিম পাড়ে প্লাইমাউথ রক, নিউ হ্যাম্পশায়ার ও রোড আইল্যান্ড রেড জাতের মুরগি। দক্ষিণ আমেরিকার কিছু জাতের মুরগি নীল বা নীলচে-সবুজ রঙের ডিমও পাড়তে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ডিমের খোসার রঙের কারণে মৌলিক পুষ্টিগুণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। তবে ডিমের আকারের সঙ্গে ক্যালরি ও প্রোটিনের পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি মাঝারি আকারের ডিমে প্রায় ৬০ ক্যালরি ও ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
ডিমের স্বাদ নির্ধারণে খোসার রঙের ভূমিকা নেই। বরং মুরগির খাদ্য, পরিবেশ ও ডিমের সতেজতা স্বাদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, উন্মুক্ত পরিবেশে পালন করা মুরগির ডিমে ভিটামিন ডি বেশি থাকে।
ডিম কেনার সময় খোসার রঙের পরিবর্তে সতেজতা, মুরগির খাদ্য ও সংরক্ষণ পদ্ধতির দিকে নজর দেওয়া উচিত। বাদামি ডিমের দাম বেশি হওয়ার পেছনে ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে, কিন্তু এটি পুষ্টির মানের নির্দেশক নয়।
প্রতিনিধির নাম 
























