ঢাকা ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

ইরানে হামলার ঘটনাকে ভয়াবহ মন্তব্য করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন একটা খুব কঠিন সময়ে বাস করছি। যে সময়টা খুবই অস্থির। বিশ্ব রাজনীতিতে ভয়াবহ নৈতিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি) মিলনায়তনে অধ্যাপক শাহিদা রফিকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা কারণে একটি দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ, দেশের প্রধানকে, রাষ্ট্রের প্রধানকে এবং একটি মতবাদের প্রধানকে হত্যা করা, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গিয়ে জেলে পুরে দেওয়া– এ এক ভয়াবহ বিশ্ব।

তিনি বলেন, আমরা যারা কিছুটা পুরোনো মানুষ, আমরা বেড়ে উঠেছি গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। আমাদের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনার মধ্যে সব সময় গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাই আছে। আমরা মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতাতে বিশ্বাস করি। এ রকম মানুষগুলো আমরা এখন অত্যন্ত কষ্টে আছি।

NEWS21
NEWS21

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭-১৮ বছরে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ফ্যাসিস্ট শক্তি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ধ্বংস করেছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। এটাকে আবার টেনে ওপরে তোলা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তোলা, রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, মানুষের অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা, ন্যায়ের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা– এই বিষয়গুলো সামনে আবার নিয়ে আসতে হবে। আমাদের সে লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে। ড. সাহেদের প্রতি আমরা তখনই সম্মান দেখাতে পারব, যখন তার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তিনি যে কাজগুলো করতে চেয়েছিলেন, যদি আমরা পূরণ করতে পারি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ— জানালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০২:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানে হামলার ঘটনাকে ভয়াবহ মন্তব্য করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন একটা খুব কঠিন সময়ে বাস করছি। যে সময়টা খুবই অস্থির। বিশ্ব রাজনীতিতে ভয়াবহ নৈতিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে।’

আজ সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডির ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি) মিলনায়তনে অধ্যাপক শাহিদা রফিকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিনা কারণে একটি দেশের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ, দেশের প্রধানকে, রাষ্ট্রের প্রধানকে এবং একটি মতবাদের প্রধানকে হত্যা করা, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গিয়ে জেলে পুরে দেওয়া– এ এক ভয়াবহ বিশ্ব।

তিনি বলেন, আমরা যারা কিছুটা পুরোনো মানুষ, আমরা বেড়ে উঠেছি গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে। আমাদের ধ্যান-ধারণা, চিন্তাভাবনার মধ্যে সব সময় গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাই আছে। আমরা মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। আমরা প্রতিটি রাষ্ট্রের স্বাধীনতাতে বিশ্বাস করি। এ রকম মানুষগুলো আমরা এখন অত্যন্ত কষ্টে আছি।

NEWS21
NEWS21

মন্ত্রী বলেন, গত ১৭-১৮ বছরে আমাদের সমস্ত প্রতিষ্ঠানকে ফ্যাসিস্ট শক্তি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ধ্বংস করেছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। এটাকে আবার টেনে ওপরে তোলা, প্রতিষ্ঠানগুলোকে গড়ে তোলা, রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা, মানুষের অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা, ন্যায়ের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা– এই বিষয়গুলো সামনে আবার নিয়ে আসতে হবে। আমাদের সে লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে। ড. সাহেদের প্রতি আমরা তখনই সম্মান দেখাতে পারব, যখন তার যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তিনি যে কাজগুলো করতে চেয়েছিলেন, যদি আমরা পূরণ করতে পারি।