ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

টুঙ্গিপাড়ায় পুলিশের উপর হামলা, নিরাপত্তা দিতে সারারাত সাজোয়া যান নিয়ে থানার সামনে সেনাবাহিনী

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশকে নিরাপত্তা দিতে সারারাত সাঁজোয়া যান নিয়ে সারারাত থানা ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী।

গতকাল সন্ধ্যার দিকে বঙ্গবন্ধু সমাধির পাশে খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল এ্যন্ড কলেজের সামনে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলায় টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি সহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপরই বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী সাজোয়া যান নিয়ে থানা ঘিরে রাখে।
পুলিশসূত্রে জানাযায়, রবিবার সন্ধ্যায় খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল এ্যন্ড কলেজের সামনের আওয়ামী লীগের সমর্থকরা লিফলেট বিতরণ করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লিফলেট বিতরণ করা বন্ধ করতে গেলে পুলিশের সাথে আওয়ামীলীগের সমর্থকদের বাকবিতন্ডা বাধে । এসময় পুলিশের কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মুদি দোকানদার সাফায়েত হোসেনকে আটক করে।
পুলিশের কাছ থেকে সাফায়েতকে ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ডাক দিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে ভাংচুর ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে তাদের উপর হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা।
পুলিশের উপর হামলার খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়ার থানার ওসি খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এলে তারাও তোপের মুখে পরে।পরে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মঈনুল হোসেন পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা দিতে বেশ কয়েকটি সাজোয়া যান নিয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার সামনে সারারাত অবস্থান করছে সেনাবাহিনী।এছাড়াও টুঙ্গিপাড়া থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মঈনুল হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মসজিদে মাইকে ঘোষণা শুনে ছুটে গিয়ে দেখি পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করে ফেলে রাখা হয়েছে, এসময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।আমি সেই পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ওসির কাছে বুঝিয়ে দেই।বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।কি কারনে ঘটনার সুত্রপাত তা আমার জানা নেই।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের থানা সহ সকল পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তাজনিত কারনে সাজোয়া যান সহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানার চারপাশে অবস্থান করছে।হামলায় আমিসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়েছে।দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

টুঙ্গিপাড়ায় পুলিশের উপর হামলা, নিরাপত্তা দিতে সারারাত সাজোয়া যান নিয়ে থানার সামনে সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ১১:২২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশকে নিরাপত্তা দিতে সারারাত সাঁজোয়া যান নিয়ে সারারাত থানা ঘিরে রাখে সেনাবাহিনী।

গতকাল সন্ধ্যার দিকে বঙ্গবন্ধু সমাধির পাশে খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল এ্যন্ড কলেজের সামনে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলায় টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি সহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপরই বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেনাবাহিনী সাজোয়া যান নিয়ে থানা ঘিরে রাখে।
পুলিশসূত্রে জানাযায়, রবিবার সন্ধ্যায় খান সাহেব শেখ মোশাররফ হোসেন স্কুল এ্যন্ড কলেজের সামনের আওয়ামী লীগের সমর্থকরা লিফলেট বিতরণ করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লিফলেট বিতরণ করা বন্ধ করতে গেলে পুলিশের সাথে আওয়ামীলীগের সমর্থকদের বাকবিতন্ডা বাধে । এসময় পুলিশের কাজে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয় মুদি দোকানদার সাফায়েত হোসেনকে আটক করে।
পুলিশের কাছ থেকে সাফায়েতকে ছাড়িয়ে নিতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ডাক দিয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে ভাংচুর ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে তাদের উপর হামলা চালায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা।
পুলিশের উপর হামলার খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়ার থানার ওসি খোরশেদ আলমসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে এলে তারাও তোপের মুখে পরে।পরে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মঈনুল হোসেন পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় পুরো এলাকা থমথমে অবস্থা বিরাজ করায় ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা দিতে বেশ কয়েকটি সাজোয়া যান নিয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার সামনে সারারাত অবস্থান করছে সেনাবাহিনী।এছাড়াও টুঙ্গিপাড়া থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মঈনুল হোসেনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মসজিদে মাইকে ঘোষণা শুনে ছুটে গিয়ে দেখি পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করে ফেলে রাখা হয়েছে, এসময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।আমি সেই পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ওসির কাছে বুঝিয়ে দেই।বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।কি কারনে ঘটনার সুত্রপাত তা আমার জানা নেই।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, আমাদের থানা সহ সকল পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তাজনিত কারনে সাজোয়া যান সহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানার চারপাশে অবস্থান করছে।হামলায় আমিসহ বেশ কয়েকজনকে আহত করা হয়েছে।দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।