ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ব্যাংক লেনদেন নিয়ে তদন্ত শুরু

মাছের গাড়িতে পানি দেওয়ার পয়েন্টের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক

সিরাজগন্জের সলঙ্গায় ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের সি আর বিসি এলাকায় হোটেল নুরজাহানের মাছের গাড়িতে পানি সরবরাহের কারনে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ্য ও খানাখন্দে পরিণত হয়েছে,প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।

রাজশাহী, কুষ্টিয়া, বনপাড়া থেকে ছেড়ে আসা মাছ বহন কারী গাড়িতে পানি সরবারহের কারনে হোটেল নুরজাহানের সামনে মহাসড়ক খানাখন্দে পরিনণত হয়েছে।
মাছ বহনকারী গাড়ি হোটেল নুরজাহান থেকে পানি ভর্তি করে বের হওয়ার সময় পানি অবাধে ফেলা হচ্ছে রাস্তায়। পানির কারণে হোটেলের প্রবেশ দ্বার ও সামনের অনেক অংশ জুরে অল্প সময়ে রাস্তা থেকে সরে যাচ্ছে বিটুমিন ও খোয়া। যার ফলে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।

জানাজায়, ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের মাছ বাহিত গাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতি গাড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে পানি সরবারহ করে আসছে। হোটেল থেকে পানি নিয়ে আবার বের হওয়ার পথেই মহাসড়কের উপর উপচে পরা পানি পরছে অবাধে ফলে রাস্তাটিতে বিটুমিন ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে মটর সাইকেল, সিএনজি, ও ছোটখাট পরিবহন গুলো এসব খানাখন্দের কারনে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসীর একজন জানান, হোটেল নুর জাহানে সন্ধার পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গাড়ি পানি ভড়ে আবার ঢাকার দিকে রওনা হয়।
প্রতি গাড়ি থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা নিয়ে তারা পানি বিক্রি করে। কিন্তু গাড়ি পানি নিয়ে বের হওয়ার সময় উপচে পরে মহাসড়কটি নস্ট করে ফেলে।
হোটেলের সামনে থেকে প্রায় আরিফ মরিয়ম হাসপাতালের সামনে পর্যন্ত চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়।
এই টুকু রাস্তায় ছোট পরিবহনগুলো দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
হোটেল নুরজাহানের মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছুই বলে না।

এ বিষয়ে হোটেল নুরজাহানের মালিক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, আমার পয়েন্টের কারনে রাস্তায় পানি পরে রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে এটা সত্যি আমি ছাড়াও অনেক পানির পয়েন্ট রয়েছে। কিন্তু আমার সামনেই বেশী ক্ষতি হয়েছে, আমি বন্ধ রাখছি।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাকির হোসেন জানান, পানির পয়েন্টের কারনে যদি মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় তাহলে দেখে তাদের সাথে আলোচনা করে বন্ধ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ

মাছের গাড়িতে পানি দেওয়ার পয়েন্টের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক

আপডেট সময় : ১০:০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

সিরাজগন্জের সলঙ্গায় ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের সি আর বিসি এলাকায় হোটেল নুরজাহানের মাছের গাড়িতে পানি সরবরাহের কারনে মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ্য ও খানাখন্দে পরিণত হয়েছে,প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা।

রাজশাহী, কুষ্টিয়া, বনপাড়া থেকে ছেড়ে আসা মাছ বহন কারী গাড়িতে পানি সরবারহের কারনে হোটেল নুরজাহানের সামনে মহাসড়ক খানাখন্দে পরিনণত হয়েছে।
মাছ বহনকারী গাড়ি হোটেল নুরজাহান থেকে পানি ভর্তি করে বের হওয়ার সময় পানি অবাধে ফেলা হচ্ছে রাস্তায়। পানির কারণে হোটেলের প্রবেশ দ্বার ও সামনের অনেক অংশ জুরে অল্প সময়ে রাস্তা থেকে সরে যাচ্ছে বিটুমিন ও খোয়া। যার ফলে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।

জানাজায়, ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কের মাছ বাহিত গাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতি গাড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে পানি সরবারহ করে আসছে। হোটেল থেকে পানি নিয়ে আবার বের হওয়ার পথেই মহাসড়কের উপর উপচে পরা পানি পরছে অবাধে ফলে রাস্তাটিতে বিটুমিন ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে মটর সাইকেল, সিএনজি, ও ছোটখাট পরিবহন গুলো এসব খানাখন্দের কারনে দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসীর একজন জানান, হোটেল নুর জাহানে সন্ধার পর থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গাড়ি পানি ভড়ে আবার ঢাকার দিকে রওনা হয়।
প্রতি গাড়ি থেকে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা নিয়ে তারা পানি বিক্রি করে। কিন্তু গাড়ি পানি নিয়ে বের হওয়ার সময় উপচে পরে মহাসড়কটি নস্ট করে ফেলে।
হোটেলের সামনে থেকে প্রায় আরিফ মরিয়ম হাসপাতালের সামনে পর্যন্ত চলাচলের অযোগ্য হয়ে যায়।
এই টুকু রাস্তায় ছোট পরিবহনগুলো দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
হোটেল নুরজাহানের মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছুই বলে না।

এ বিষয়ে হোটেল নুরজাহানের মালিক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, আমার পয়েন্টের কারনে রাস্তায় পানি পরে রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে এটা সত্যি আমি ছাড়াও অনেক পানির পয়েন্ট রয়েছে। কিন্তু আমার সামনেই বেশী ক্ষতি হয়েছে, আমি বন্ধ রাখছি।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ জাকির হোসেন জানান, পানির পয়েন্টের কারনে যদি মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় তাহলে দেখে তাদের সাথে আলোচনা করে বন্ধ করা হবে।