ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ-জীবননগর আঞ্চলিক মহাসড়কের কোটচাঁদপুর উপজেলার কাশিপুর থেকে এলাঙ্গী অভিমুখে গাছ কাটার কাজ চলছে। দুই বছর আগে আহ্বান করা দরপত্রের ভিত্তিতে বর্তমানে ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী রেইনট্রি, মেহগনি ও আকাশমণি গাছ কাটা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের পাশে বড় বড় গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। কিছু গাছের গোড়া কেটে ফেলা হয়েছে, আবার কিছু গাছের ডালপালা ছাঁটাই করা হচ্ছে। বন বিভাগ জানায়, ২০২৪ সালের ২৫ এপ্রিল সামাজিক বন বিভাগের যশোর বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং ২০ জুন কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে নানা কারণে তখন গাছ কাটা সম্ভব হয়নি।
বন বিভাগের সূত্র মতে, কোটচাঁদপুরে ৪০টি লটে এবং শৈলকুপায় ছয়টি লটে গাছ বিক্রি করা হয়েছে। গাছের বিক্রয়মূল্য ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ২৫ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি লটে গড়ে ২০ থেকে ২৫টি গাছ রয়েছে, ফলে হাজারের বেশি গাছ কাটা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিবেশ রক্ষার কথা বলা হলেও বড় ও তরতাজা গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। এলাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা রনি হোসেন বলেন, “এই গাছগুলো পথচারীদের ছায়া দেয় এবং পরিবেশ ঠান্ডা রাখে।” চা দোকানি রবিউলও একই প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এত দিন পর পুরোনো দরপত্রের ভিত্তিতে গাছ কাটা হচ্ছে।
বন বিভাগের কোটচাঁদপুরের ডেপুটি বন রেঞ্জার প্রণব কুমার বিশ্বাস জানান, সামাজিক বনায়ন প্রকল্পে গাছ লাগানোর পর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। মেয়াদ শেষে নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রি করা হয়। বর্তমানে যে গাছগুলো কাটা হচ্ছে, সেগুলো ২০ থেকে ২৫ বছর মেয়াদের বলে তাদের ধারণা।
প্রতিনিধির নাম 
























