ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারত বাংলাদেশি পাটপণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুবদলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনা জারি দুই বছর পর পুরোনো দরপত্রে গাছ কাটার তোড়জোড় সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য হলেন জাবি অধ্যাপক নাহরিন কবির কলমের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলা সালমান মুক্তাদিরকে মিথ্যাবাদী বললেন আবিদুল ইসলাম খান সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় যুবককে তিন বছরের কারাদণ্ড বিএনপি নেতাদের দখলবাজিতে সরকারের ব্যর্থতা: মিয়া গোলাম পরওয়ার চবিতে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে শিক্ষার্থী থানায় সোপর্দ কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক টার্মিনালের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু

কবির কলমের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য সংগঠন ‘কবির কলম’-এর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার শহরের কাউতলী এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, তরুণ কবি, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরাও অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘কবির কলম’-এর সভাপতি ও বিশিষ্ট ছড়াকার হুমায়ুন কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবীণ সংস্কৃতিজন ও কবি আব্দুল মান্নান সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও সংস্কৃতিজন অ্যাডভোকেট আব্দুন নূর, কবি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুঁইয়া, কবি ও গবেষক ফেরদৌস রহমান, তরী বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ এবং খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননকে শাণিত করে এবং সমাজকে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ‘কবির কলম’ দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছে, যা প্রশংসনীয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল জেলার গুণী ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান। তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরে সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক পর্ব শুরু হয়, যেখানে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা কবিতা পাঠ ও অনুভূতি প্রকাশ করেন।

আয়োজকরা জানান, ‘কবির কলম’ সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতে নতুন লেখক ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত বাংলাদেশি পাটপণ্যে নতুন শুল্ক আরোপ করেছে

কবির কলমের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলা

আপডেট সময় : ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য সংগঠন ‘কবির কলম’-এর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার শহরের কাউতলী এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, তরুণ কবি, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরাও অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘কবির কলম’-এর সভাপতি ও বিশিষ্ট ছড়াকার হুমায়ুন কবির। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবীণ সংস্কৃতিজন ও কবি আব্দুল মান্নান সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও সংস্কৃতিজন অ্যাডভোকেট আব্দুন নূর, কবি অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভুঁইয়া, কবি ও গবেষক ফেরদৌস রহমান, তরী বাংলাদেশ-এর আহ্বায়ক শামীম আহমেদ এবং খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নিহার রঞ্জন সরকার।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননকে শাণিত করে এবং সমাজকে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ‘কবির কলম’ দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে চলেছে, যা প্রশংসনীয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল জেলার গুণী ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান। তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। পরে সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক পর্ব শুরু হয়, যেখানে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা কবিতা পাঠ ও অনুভূতি প্রকাশ করেন।

আয়োজকরা জানান, ‘কবির কলম’ সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার একটি সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতে নতুন লেখক ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করবে।