বই পড়া শুধুমাত্র বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত বই পড়ার ফলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় এবং মানসিক চাপ কমে যায়। গবেষকরা বলছেন, বই পড়ার অভ্যাস বড় হয়ে স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকিও কমাতে পারে।
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাপক বারবারা সাহাকিয়ান বলেন, বই পড়া মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে এবং চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়।
শিশুদের জন্য বই পড়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। নতুন শব্দ শেখা, বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানা এবং কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতাও বাড়ে। তবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শিশু ও কিশোরদের বই পড়ার হার কমে যাচ্ছে।
২০২৫ সালের পিআইএসএ প্রতিবেদনে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পড়ার দক্ষতা কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষকরা বলছেন, অবসর সময়ে বই পড়ার অভ্যাস কমে যাওয়া এবং ডিজিটাল ডিভাইসে বেশি সময় কাটানো এর অন্যতম কারণ।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল লিটারেসি ট্রাস্টের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ৮ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু ও কিশোরদের মাত্র ৩৬ শতাংশ অবসর সময়ে বই পড়তে পছন্দ করে। ২০১৬ সালে এই হার ছিল ৫৯ শতাংশ।
গবেষকরা মনে করেন, শিশুদের বই পড়তে বাধ্য না করে তাদের পছন্দের বই খুঁজে দিতে হবে। কমিকস ও গ্রাফিক নভেলও শিশুদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারে। বই পড়ার অভ্যাস শুধু শিশুদের জন্য নয়, বড়দের জন্যও উপকারী।
প্রতিনিধির নাম 
























