ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উত্তর-পূর্ব সীমান্তঘেঁষা এক জলাভূমিতে শরতের মেঘের ছায়ায় পদ্মফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। এই জলাভূমি এখন প্রকৃতির এক বিশাল ক্যানভাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে গোলাপি ও শ্বেতপদ্মের সমারোহ দেখা যাচ্ছে।
আখাউড়ার ঘাঘুটিয়া ও মিনারকুট এলাকার এই পদ্মবিল প্রতি বছর শরতে পদ্মফুলে ভরে যায়। স্থানীয়রা জানান, এই বিল এখন পর্যটকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। ভোরের আলো ফুটতেই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে আসছেন পদ্মের সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
দর্শনার্থীরা নৌকায় চড়ে বিলের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ঢাকার গুলশান থেকে আসা মো. নুরুজ্জামান বলেন, “এখানকার পরিবেশটা খুব কোমল। পরিবার নিয়ে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে।” অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা তাসমিয়া আক্তার জানান, “এখানে এত ভালো লেগেছে যে বাড়িতে যাওয়ার মনই মানছে না।”
পদ্মবিলের সৌন্দর্য শুধু দর্শনার্থীদের জন্য নয়, স্থানীয় মানুষের জন্যও জীবিকার উৎস। মাঝিরা দর্শকদের নৌকায় নিয়ে গিয়ে পদ্মফুলের সৌন্দর্য দেখাচ্ছেন এবং এর মাধ্যমে উপার্জন করছেন। মাঝি মো. শাহআলম মিয়া বলেন, “এই পদ্মবিলের কারণে আলহামদুলিল্লাহ ভালো উপার্জন হচ্ছে।”
তবে, পদ্মবিলের পরিবেশ রক্ষার জন্য সচেতনতা প্রয়োজন। পরিবেশ ও নদী সুরক্ষাবিষয়ক সংগঠন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ বলেন, “অযথা ছবি তোলা বা সাময়িক আনন্দের জন্য পদ্মফুল উপড়ে ফেলা উচিত নয়।” পদ্মবিলের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দর্শনার্থীদের দায়িত্বশীল হতে হবে।
প্রতিনিধির নাম 
























