ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেত্রকোণায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার অভিযোগে এনসিপির নেত্রী আটক অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় মহিলা জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ বাঁধনের ওপর হামলা: আসিফ নজরুলের মন্তব্য, ‘আ. লীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে শূন্য হাতে ফিরতে হবে’ এসআরবি বিল নিয়ে জামায়াতের আটটি ভিন্নমত প্রকাশ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণে ৩২৪ কোটি টাকার ঘাটতি ব্যবসায়ীদের জন্য আনন্দদায়ক পরিবেশে রাজস্ব আদায় চান অর্থমন্ত্রী গোপালগঞ্জের বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, সাময়িক অব্যাহতি সাভারে ত্রিপল হত্যাকাণ্ড: পরকীয়ার জেরে নিহত ৩ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে তিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদে রদবদল চট্টগ্রাম বন্দরের বিদেশি ইজারা নিয়ে আনু মুহাম্মদের উদ্বেগ

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মাধ্যমে বিচারিক পরিধি বৃদ্ধি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন পাসের মাধ্যমে গুমের ঘটনায় বিচার পাওয়ার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, নতুন আইনে গুমের স্পষ্ট সংজ্ঞা থাকায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচারের নতুন দ্বার খুলেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তার অবস্থান গোপন করে, তাহলে সেটি গুম হিসেবে গণ্য হবে। যদি গুমের ঘটনা ব্যাপক বা পদ্ধতিগত হয়, তবে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হবে।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে অধ্যাদেশ থাকলেও কার্যকর প্রয়োগ দেখা যায়নি। নতুন আইনের ৩৩ ধারার উল্লেখ করে তিনি জানান, চলমান গুমের মামলাগুলো ট্রাইব্যুনালে বিচার হবে। সেশন কোর্ট বা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান মামলায় যদি ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে প্রতীয়মান হয়, তবে তা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো যাবে।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা বা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ও অন্য আদালতে চলমান মামলা ট্রাইব্যুনালে এনে বিচারের উদ্যোগ নিতে পারবে। তিনি জানান, নতুন আইনের আলোকে ইতোমধ্যে জমা পড়া ও তদন্তাধীন গুমের অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হবে।

এদিকে, মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিলের বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সময়সীমা পার হলে কোনো আসামির আপিল গ্রহণযোগ্য নয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার অভিযোগে এনসিপির নেত্রী আটক

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মাধ্যমে বিচারিক পরিধি বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন পাসের মাধ্যমে গুমের ঘটনায় বিচার পাওয়ার সুযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, নতুন আইনে গুমের স্পষ্ট সংজ্ঞা থাকায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচারের নতুন দ্বার খুলেছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তার অবস্থান গোপন করে, তাহলে সেটি গুম হিসেবে গণ্য হবে। যদি গুমের ঘটনা ব্যাপক বা পদ্ধতিগত হয়, তবে তা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হবে।

তিনি আরও বলেন, পূর্বে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে অধ্যাদেশ থাকলেও কার্যকর প্রয়োগ দেখা যায়নি। নতুন আইনের ৩৩ ধারার উল্লেখ করে তিনি জানান, চলমান গুমের মামলাগুলো ট্রাইব্যুনালে বিচার হবে। সেশন কোর্ট বা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান মামলায় যদি ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে প্রতীয়মান হয়, তবে তা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো যাবে।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা বা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ও অন্য আদালতে চলমান মামলা ট্রাইব্যুনালে এনে বিচারের উদ্যোগ নিতে পারবে। তিনি জানান, নতুন আইনের আলোকে ইতোমধ্যে জমা পড়া ও তদন্তাধীন গুমের অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হবে।

এদিকে, মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিলের বিষয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সময়সীমা পার হলে কোনো আসামির আপিল গ্রহণযোগ্য নয়।