ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই: সারজিস আলম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকির জন্য স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের ডেপুটি স্পিকারের আস্তে কথা বলার পরামর্শ ধর্মমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে পেন্টাগনের অস্বীকৃতি বিশ্ব রেডিওথেরাপি সচেতনতা দিবসে ডেল্টা হাসপাতালে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কিশোরগঞ্জে ডিসিকে স্মারকলিপি প্রদান নীলফামারীতে তিস্তা নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন: পুলিশ ও জামায়াত নেতার জড়িত থাকার অভিযোগ রোহিঙ্গা নাগরিককে জন্মসনদ প্রদান: প্রশাসনিক কর্মকর্তা বরখাস্ত সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন আইন প্রত্যাহারের দাবি জানালেন গোলাম পরওয়ার গাজী নজরুলকে নিয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিতর্ক

স্বাস্থ্য সনদের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আতোয়ার রহমানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, কোনো ধরনের সরকারি চালান বা অফিশিয়াল রশিদ ছাড়াই ক্ষুদ্র চা-দোকানি, মুদি ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারির মালিকদের কাছ থেকে তিনি নিয়মিত ৫০০ থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গের যথাযথ শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বাস্তবে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কেবল টাকার বিনিময়ে মিলছে এই সনদ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আতোয়ার রহমান নিজেই সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নগদ অর্থ আদায় করেন এবং পরবর্তীতে সনদ পৌঁছে দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি প্রতিষ্ঠানের ধরণ ও সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আতোয়ার রহমান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস জানিয়েছেন, বেআইনি অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই: সারজিস আলম

স্বাস্থ্য সনদের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

আপডেট সময় : ০১:২৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আতোয়ার রহমানের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়ার নামে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, কোনো ধরনের সরকারি চালান বা অফিশিয়াল রশিদ ছাড়াই ক্ষুদ্র চা-দোকানি, মুদি ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও বেকারির মালিকদের কাছ থেকে তিনি নিয়মিত ৫০০ থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গের যথাযথ শারীরিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বাস্তবে কোনো ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কেবল টাকার বিনিময়ে মিলছে এই সনদ।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আতোয়ার রহমান নিজেই সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নগদ অর্থ আদায় করেন এবং পরবর্তীতে সনদ পৌঁছে দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি প্রতিষ্ঠানের ধরণ ও সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে টাকার অঙ্ক নির্ধারণ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আতোয়ার রহমান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস জানিয়েছেন, বেআইনি অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।