গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিএনপি নেতা ইলিয়াস মিয়াকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি ও স্থানীয় জনসাধারণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা দ্রুত খুনিদের গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি—ফাঁসির দাবি জানান।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে সর্বানন্দ ইউনিয়নের খানাবাড়ি মাদরাসা মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে ঐঅঞ্চলের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, ওলামাদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনতা অংশ নেয়। পরে এক সমাবেশে মিলিত হয়।
সর্বানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের মিয়ার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক এম. এ গফ্ফার মোল্লা, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইফতেখার হোসেন পপেল প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, “বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর ধারাবাহিক দমন-পীড়নের অংশ হিসেবেই ইলিয়াস মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তারা আরও বলেন, “যুবলীগের একাধিক চিহ্নিত সন্ত্রাসী এ হত্যাকাণ্ড ঘটালেও এখনো সবাই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। আমরা তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানাই।”
বিক্ষোভ মিছিলটি খানাবাড়ি মাদরাসা চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এর আগে গত ৭ জুন রাতে নিজ খামার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্র এলাকায় ইলিয়াস মিয়াকে লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহত ইলিয়ার মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০–২৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ পর্যন্ত হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছেন।
রিয়াদ হাসান,গাইবান্ধা 


















