শিরোনাম
তাইওয়ানে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ৮০ বার ভূমিকম্প না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা অলিউল হক রুমি তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে ঝিনাইদহের শতশত নলকূপে উঠছে না পানি ! তাপমাত্রা কমাতে যেসব পরামর্শ দিলেন হিট অফিসার বুশরা মালয়েশিয়ার বুকিত চাবাংয়ে ৪৫ বাংলাদেশি আটক মালয়েশিয়ার বুকিত চাবাংয়ে ৪৫ বাংলাদেশি আটক পছন্দের মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ছুটি বাড়ানোর দাবি অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সাফল্যের ৮ম বর্ষে পূর্ব বড়ুয়া তরুণ সংঘ ভোরে এসে বিজয়ের হাসি হাসলেন মিশা-ডিপজল লালমনিরহাটে গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক পালিত দেশটা আওয়ামী মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে: মির্জা ফখরুল রাজধানীর শিশু হাসপাতালে আগুন ফের একসঙ্গে তাহসান-মিথিলা রাত ১টার মধ্যে ঢাকাসহ যেসব জেলায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় মদিনায় বিনামূল্যে খাবার-পানীয় সরবরাহ করা সেই ইসমাইল মারা গেছেন ইসরায়েলের রকেট হামলায় যেভাবে নির্মম মৃত্যু হলো ৫,০০০ ভ্রূণের  সমালোচনার ঝড়, ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ‘রূপান্তর’ ফরিদপুরে দুর্ঘটনা : একই পরিবারে নিহত ৫ জন দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, সাতসকালে সড়কে ঝরল একাধিক প্রাণ
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৪৮ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘ডুবে যাওয়া’ পাকিস্তানের সাবমেরিনের খুঁজে পেল ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘ডুবে যাওয়া’ পাকিস্তানের সাবমেরিনের খুঁজে পেল ভারত

১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়ার দাবি করেছে ভারত। দেশটির নৌবাহিনীর বিশেষ বাহন এই সাবমেরিনকে খুঁজে বের করেছে বলে জানা যায়। 

বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই নাকি এটির খোঁজ পাওয়া গেছে। ভারতের গভীর সমুদ্রে নিজজ্জিত জাহাজ উদ্ধারকারী যান (ডিএসআরএভ) সাবমেরিনটি সমুদ্রের ২ কিলোমিটার গভীরে খুঁজে পেয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যায় পিএনএস গাজি নামের সাবমেরিনটি। সেটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে মার্কিন নৌবহরের অংশ ছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার হতো।

পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে এই সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার ‘ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল’।

উল্লেখ্য, ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিনকে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে।

১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামের রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে ‘ডেপথ চার্জ’-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।


এই বিভাগের আরও খবর