ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় রাজ-এর আহ্বান, দোষী হলে শাস্তি, নইলে মুক্তি চান চীনের বড় সাফল্য, মিলেছে ২০০টির বেশি নতুন তেল-গ্যাস ক্ষেত্র হাওরে ভয়াবহ ক্ষতি, পানির নিচে ২০০ কোটি টাকার ধান টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে হাজার বিঘা পাকা ধানক্ষেত ব্রিটিশদের ভূমিকা না থাকলে আমেরিকায় ফরাসি ভাষাই হতো প্রধান, ট্রাম্পকে রাজার কটাক্ষ পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কাজের চাপে ব্যস্ত দীপিকা, নেই দম নেওয়ার সুযোগ অন্য দেশকে নির্দেশ দেওয়ার অবস্থায় আর নেই যুক্তরাষ্ট্র: ইরান ঈশাণকোনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে: সাইফুল হক

রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দিতেন তাঁরা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

টাকা নিয়ে রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দেওয়া একটি চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ। একটি জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দিতে চক্রের সদস্যরা ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিতেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাট ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. শহিদুল ইসলাম, রাসেল খান, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুর রশিদ ও সোহেল চন্দ্র।

ডিবি জানায়, মেয়র, চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের আইডি ব্যবহার করে হাজার হাজার রোহিঙ্গার ভুয়া জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দিয়েছেন এই চক্রের সদস্যরা। এভাবে রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হচ্ছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পর্কে ডিবি বলছে, গ্রেপ্তার রশিদ দিনাজপুরের বিরল পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন। সোহেল চন্দ্র বিরল পৌরসভার ১০ নম্বর রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন। তাঁরা মেয়র, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের জন্মনিবন্ধনের এক্সেস ব্যবহার করে ওই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দিতেন। একটি জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দিতে চক্রের সদস্যরা ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিতেন। গ্রেপ্তার বাকিরা তাঁদের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধনের চাহিদা জানাতেন। চক্রের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি গ্রুপ খুলে এই প্রতারণা করে আসছিলেন।

ডিবি সাইবার বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো.সাইফুর রহমান আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে এই চক্রের আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্য হাতির তাণ্ডবে রামুতে নিহত মা-মেয়ে

রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দিতেন তাঁরা

আপডেট সময় : ০৯:০৬:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

টাকা নিয়ে রোহিঙ্গাদের ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দেওয়া একটি চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার বিভাগ। একটি জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দিতে চক্রের সদস্যরা ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিতেন।

১৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাট ও দিনাজপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ সোমবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. শহিদুল ইসলাম, রাসেল খান, মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুর রশিদ ও সোহেল চন্দ্র।

ডিবি জানায়, মেয়র, চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের আইডি ব্যবহার করে হাজার হাজার রোহিঙ্গার ভুয়া জন্মনিবন্ধন বানিয়ে দিয়েছেন এই চক্রের সদস্যরা। এভাবে রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হচ্ছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সম্পর্কে ডিবি বলছে, গ্রেপ্তার রশিদ দিনাজপুরের বিরল পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন। সোহেল চন্দ্র বিরল পৌরসভার ১০ নম্বর রানীপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর ছিলেন। তাঁরা মেয়র, চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের জন্মনিবন্ধনের এক্সেস ব্যবহার করে ওই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ দিতেন। একটি জন্মনিবন্ধন সনদ বানিয়ে দিতে চক্রের সদস্যরা ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা নিতেন। গ্রেপ্তার বাকিরা তাঁদের কাছে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধনের চাহিদা জানাতেন। চক্রের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি গ্রুপ খুলে এই প্রতারণা করে আসছিলেন।

ডিবি সাইবার বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো.সাইফুর রহমান আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে এই চক্রের আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।