ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সনাতন আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক তরুন, সদস্য সচিব সফল দাশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণের অধিকার সুরক্ষাও জরুরি : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ৭৭ বছরের ভারতীয়ের চ্যাটজিপিটিকে ‘স্যার’ ডেকে ভাইরাল হওয়ার কাহিনি টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি আটক টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরও বেঁচে আছেন ক্রিস্টা পাইক নেত্রকোনায় ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ হইচইয়ের নতুন সিরিজ ‘শলাকা রহস্য’ প্রকাশ্যে, তৃণা সাহার পোস্টার উন্মোচন জামালপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন মতলবে ট্রাক্টরের ধাক্কায় তরুণের মৃত্যু

মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে মার খেলেন এএসআই

  • ভোলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

ভোলার বোরহানউদ্দিনে আকবর আলী নামের এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে তার স্বজনদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন কামরুল ইসলাম নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাত ৯টায় উপজেলার কাঁচিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালীরহাট বাজার সংলগ্ন গুচ্ছ গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ও একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের এএসআই কামরুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্যের একটি টিম গুচ্ছ গ্রাম নামক ওই জায়গায় মাদক উদ্ধার করতে যান। রাত ৯টার দিকে সেখান থেকে কিছু গাঁজাসহ মাদক কারবারি আকবর আলীকে পুলিশ আটক করে। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জন লোক একত্রিত হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আকবর আলীকে ছিনিয়ে নেয়।

স্থানীয়রা জানান, আকবর আলী একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তাকে পুলিশ গাঁজাসহ আটক করলে তার শ্বশুর আলমগীরসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি লাঠি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আকবর আলীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় পুলিশের এএসআই আকবর আলী আহত হলে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে, এ ঘটনার পর ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলাকারীদেরকে ধরতে পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম চিরুনি অভিযান চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমানকে একাধিক ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে ডিউটি অফিসার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এএসআই কামরুল ইসলামের ওপর মাদক কারবারিরা হামলা চালানোর কারণে ওসিসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না।

উল্লেখ্য, গেল ৬ জানুয়ারি একই উপজেলার বাটামারা গ্রামে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে স্বজনদের হামলায় পুলিশের দুই এএসআই গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই আরেকটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। যার কারণে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে মার খেলেন এএসআই

আপডেট সময় : ১২:১৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

ভোলার বোরহানউদ্দিনে আকবর আলী নামের এক মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে ধরতে গিয়ে তার স্বজনদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন কামরুল ইসলাম নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাত ৯টায় উপজেলার কাঁচিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালীরহাট বাজার সংলগ্ন গুচ্ছ গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশ ও একাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের এএসআই কামরুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্যের একটি টিম গুচ্ছ গ্রাম নামক ওই জায়গায় মাদক উদ্ধার করতে যান। রাত ৯টার দিকে সেখান থেকে কিছু গাঁজাসহ মাদক কারবারি আকবর আলীকে পুলিশ আটক করে। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জন লোক একত্রিত হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আকবর আলীকে ছিনিয়ে নেয়।

স্থানীয়রা জানান, আকবর আলী একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তাকে পুলিশ গাঁজাসহ আটক করলে তার শ্বশুর আলমগীরসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি লাঠি দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আকবর আলীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় পুলিশের এএসআই আকবর আলী আহত হলে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এদিকে, এ ঘটনার পর ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলাকারীদেরকে ধরতে পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম চিরুনি অভিযান চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে জানতে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিকুর রহমানকে একাধিক ফোন করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে ডিউটি অফিসার নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এএসআই কামরুল ইসলামের ওপর মাদক কারবারিরা হামলা চালানোর কারণে ওসিসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। এর বেশি কিছু তিনি জানেন না।

উল্লেখ্য, গেল ৬ জানুয়ারি একই উপজেলার বাটামারা গ্রামে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে স্বজনদের হামলায় পুলিশের দুই এএসআই গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই আরেকটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। যার কারণে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।